
দেশচিন্তা ডেস্ক: বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচে জার্মানির বিপক্ষে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছিল কুরাসাও। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ল্যাটিন আমেরিকার শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ইকুয়েডরের কাছ থেকে এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে দলটি। গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছে ম্যাচ।
গোলরক্ষক এলোই রুমের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ইকুয়েডরকে রুখে দিয়েছে দলটি। ম্যাচজুড়ে ইকুয়েডর একের পর এক আক্রমণ চালালেও রুম ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। কুরাসাওয়ের এই গোলরক্ষক মোট ১৫টি সেভ করে দলকে নিশ্চিত করেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট।
বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোল বাঁচানোর রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোলরক্ষক টিম হাওয়ার্ডের। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে হাওয়ার্ড রেকর্ড ১৬টি সেভ করেছিলেন।
এর আগে প্রথম রাউন্ডে আইভরি কোস্টের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে ইকুয়েডর। অন্যদিকে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে পরাজিত হয়েছে কুরাসাও। গ্রুপে জার্মানি ও আইভরি কোস্ট জয় পাওয়ায় এই ম্যাচের ফলাফল দুই দলের জন্যই ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে ২১ জুন (রোববার) সকাল ৬টায় ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপে মুখোমুখি হয় ইকুয়েডর ও কুরাসাও।
প্রথম ম্যাচে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোল করতে পারেনি ইকুয়েডর। আক্রমণাত্মক কৌশল নিয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নেন কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাসেসে।
কুরাসাওয়ের জন্য পরিস্থিতি ছিল আরও চ্যালেঞ্জিং। জার্মানির বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের পর একই কাঠামোয় দল সাজান কোচ ডিক অ্যাডভোকাট। আক্রমণে ইয়ুর্গেন লোকাডিয়া ও সন্টিয়ে হ্যানসেন এবং মাঝমাঠে জুনিনিও বাকুনা ও লিয়ান্দ্রো বাকুনার ওপর ভরসা ছিল তার।
ইকুয়েডর বল দখলে রেখে আক্রমণ করেছে এবং কুরাসাও রক্ষণাত্মক কৌশলে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ খুঁজেছে। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

















