
দেশচিন্তা ডেস্ক: চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন, ৭১ সালে জাতির ক্রান্তিলগ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই সর্বপ্রথম ‘উই রিবোল্ট’ বলে পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। আর যারা স্বাধীনতার সোল এজেন্ট দাবিদার- তারা ভয়ে ইঁদুরের গর্তে পালিয়ে গিয়েছিল। শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। শহীদ জিয়ার সাহসী ও দূরদর্শী ভূমিকাই দিকভ্রান্ত জাতিকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিয়েছিল। স্বাধীনতা অর্জনে শহীদ জিয়া যেভাবে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন, আমরাও তাঁর আদর্শের সৈনিক হিসেবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঠিক সেইভাবে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত আছি।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ষোলশহর ০২নং গেইট জাতীয় বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়। এই দিনে আমরা স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি এবং তাদের আদর্শ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করি। আজকে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ বিএনপির পক্ষে রায় দিয়েছে। এই জন রায়ের প্রতি সম্মান রেখে জনগণের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে এদেশের স্বাধীনতাকামী জনগণ যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সে আকাঙ্খিত নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে- এটাই আজকের দিনের প্রত্যাশা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ তৈয়ব, এম. আই চৌধুরী মামুন, জাকির হোসেন, শাহ আলম, ইয়াছিন চৌধুরী আসু, ইউনুস চৌধুরী হাকিম, নকিব উদ্দিন ভূঁইয়া, এড. ফরিদ, এয়াকুব চৌধুরী নাজিম, আজগর, মঞ্জু, এম এ হালিম বাবলু, জাহেদুল হক, তৌহিদুস সালাম নিশাদ, দিদার, আব্দুল্লাহ আল সগীর, এমরান হোসেন, মহিউদ্দিন মিজান, হাসান, সালাউদ্দিন, নুরু, আলাউদ্দিন আলী নুর, আলমগীর প্রমুখ।













