আজ : রবিবার ║ ৩১শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

আজ : রবিবার ║ ৩১শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ║১৬ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

চবিতে ‘রোহিঙ্গা সংকট: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক ১ম আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দেশচিন্তা ডেস্ক: অষ্টম রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে এবং সহ-আয়োজক ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস (ইউএসডব্লিউ) এর সহযোগিতায় সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় চবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদ অডিটোরিয়ামে ‘রোহিঙ্গা সংকট: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক ১ম আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কনফারেন্স উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন ও চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এনায়েত উল্যা পাঠওয়ারী।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের প্রফেসর, The Problems of Genocide গ্রন্থের লেখক, Journal of Genocide Research এর সিনিয়র সম্পাদক, বিশ্ববিখ্যাত শীর্ষস্থানীয় গণহত্যা বিষয়ক পণ্ডিত প্রফেসর ড এ. ডির্ক মোসেস। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ।

সেমিনারে সহ-আয়োজকদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস (USW) এর প্রফেসর ড. পলাশ কামরুজ্জামান, যুক্তরাজ্য ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (UCL) এর সহযোগী অধ্যাপক ড. বায়েজ আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (DU) এর সহযোগী অধ্যাপক ড. কাজলি শহরীন ইসলাম। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথি চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এমন আয়োজনের মাধ্যমে সঠিক পথেই হাঁটছে । অনেক দেশের বিখ্যাত অধ্যাপক ও মেহমান চবিতে ইতোমধ্যেই পরিদর্শনে এসেছেন। উপাচার্য এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অর্থায়নের জন্য বৃটিশ একাডেমিকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান এবং অন্যদেরও আহ্বান জানান এ জাতীয় আয়োজনে স্পন্সর করার জন্য।

তিনি আরও বলেন, চবির নতুন প্রশাসন শিক্ষার্থীদের কল্যাণে অনেক মহতী উদ্যোগ নিয়েছে; যা ইতোমধ্যেই ক্যাম্পাসে দৃশ্যমান হয়েছে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ার নীতিমালা সংশোধন করে লিখিত, মৌখিক ও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ সর্বমহলে প্রশংসা অর্জন করেছে, একইসাথে দেশের বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চবিকে অনুসরণ করছে।

উপাচার্য আরও বলেন, আজকের এ কনফারেন্সে উপস্থাপিত আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা রোহিঙ্গা সংকট: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা পাবেন। বিশেষ করে চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদ এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে সমৃদ্ধ হবেন। উপাচার্য চবি সিনিয়র শিক্ষার্থী ও নবীন শিক্ষকদের আজকের এ আন্তর্জাতিক সেমিনারে পুরোপুরি থাকার অনুরোধ করেন এবং এতে তাদের অনেক কিছু শেখার সুযোগ সৃষ্টি হবে মর্মে প্রত্যাশা করেন। পরে উপাচার্য ৮ম রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস ২০২৫ উপলক্ষ্যে চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত রোহিঙ্গা সংকট: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা শীর্ষক ১ম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

সেমিনারে কি-নোট স্পিকার যুক্তরাষ্ট্রের সিটি ইউনিভারসিটি অব নিউইয়র্ক এর প্রফেসর ড. এ. ডির্ক মোসেস বলেন, অ্যান লুন্ড গণহত্যাকে ‘বিনাশের প্রাচীর’ বলেছেন । এটি গণহত্যা বোঝার একটি মৌলিক সমস্যার দিক তুলে ধরে। এ কারণেই চার বছর আগে গণহত্যার ধারণার ইতিহাস নিয়ে তিনি নিজের বইটির নামকরণ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, রাফায়েল লেমকিন (যিনি ১৯৪২ সালে Genocide শব্দটি চালু করেছিলেন) প্রথমে গণহত্যাকে এই ‘বিনাশের প্রাচীর’ বা ‘ধ্বংসযজ্ঞ’ হিসেবে কল্পনা করেছিলেন। কিন্তু শুম্যান এবং অল্টম্যান দেখিয়েছেন যে সময়ের সাথে সাথে এই বিস্তৃত ধারণাটি আইনগত সংজ্ঞা এবং আমাদের কল্পনার জগৎ-উভয় ক্ষেত্রেই আলাদা হয়ে গেছে। ফলে Genocide বা গণহত্যার আধুনিক আইনি সংজ্ঞা অনেকটাই সংকীর্ণ হয়ে গেছে। শুম্যান এটিকে ব্যাখ্যা করেছেন শুধুমাত্র একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা হিসেবে, যা লেমকিনের মূল ধারণার তুলনায় অনেক সীমিত।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য একটি জটিল সংকট তৈরি করেছে। এ সমস্য সমাধানে আন্তর্জাতিক মহলকে এগিয়ে আসতে হবে। উপ-উপাচার্য আন্তর্জাতিক এ সেমিনারের উপস্থাপিত আলোচনার মাধ্যমে কনফারেন্স একাডেমিয়া, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলকে অনেক দিকনির্দেশনা দিতে পারবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, আমাদের দেশে রোহিঙ্গা সংকট নানা জটিলতায় আটকা পড়েছে। তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়, কিন্তু তারা সেখানে নিরাপত্তার ব্যাপারে খুবই উদ্বিগ্ন। এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স রোহিঙ্গা সংকট বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে সাহায্য করবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী বলেন, পৃথিবীর সর্বত্র মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। ২০১৭ সালে দশ লাখ রোহিঙ্গা বাধ্য হয়েছিল এ দেশে অনুপ্রবেশ করতে। এ সংকট মোকাবেলায় জাতিসংঘ ও প্রভাবশালী দেশের জোরালো পদক্ষেপ নেয়া দরকার। রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে মানবিক কল্যাণে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর এগিয়ে আসা দরকার।

চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ বলেন, অনেক মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। আমরা আর মানবাধিকার লঙ্গন দেখতে চাই না।

যুক্তরাজ্য ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস (USW) এর প্রফেসর ড. পলাশ কামরুজ্জামান তাঁর ভিডিও বার্তায় এ আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আজকের এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে আলোচনা-পর্যালোচনা রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখতে পারবে। অনেকে নিজেদের উদ্দেশ্যে অ্যান ফ্র্যাঙ্কের প্রতীকী চিত্র ব্যবহার করতে চায়, কারণ আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি পেতে হলে নিজের ভুক্তভোগী হওয়ার অনুভূতিটাকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, তাহলে আমি শেষ করছি, প্রিয় সহকর্মী, এই ভাবনাটা দিয়ে-স্বীকৃতি পাওয়ার চ্যালেঞ্জটা হলো হলোকাস্টের শিকারদের সঙ্গে তুলনা টানা, যা অত্যন্ত কঠিন। কারণ একদিকে হলোকাস্ট ছিল এক ধরনের আলাদা সংঘাত বা একাধিক সংঘাতের সমষ্টি, যা “অদ্বিতীয়তার” এক আলোচনার সঙ্গে জড়িত, ফলে তুলনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তবে আইনজীবীরা তো সেটা নিয়ে কাজ করেন না, তাই আইসিজে (ICJ) মামলা কঠোর আইনি মানদণ্ডেই টিকে থাকবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রকৃত গণহত্যা হিসেবে যেটাকে দেখা হয়, তার পেছনে আসলে সংস্কৃতিগত এক ধারণা কাজ করে-কারা ‘বোধ্য’ বা ‘আদর্শ ’ শিকার হিসেবে গণ্য হবে, সেটাই মূলত এই অদৃশ্য স্তরে প্রভাব ফেলে।

যুক্তরাজ্য ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (UCL) এর সহযোগী অধ্যাপক ড. বায়েজ আহমেদ বলেন, এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অবশ্যই একাধিক দিন ধরে করা দরকার। তিনি জেনোসাইড বন্ধে সকলের এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন এবং এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বাংলাদেশের সকল জনগণকে ধন্যবাদ জানান এই বৃহৎ কর্মসূচিকে টানা আট বছরেরও বেশি সময় ধরে সমর্থন করার জন্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন সামনের মাসগুলো ও বছরগুলোতেও এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে। আপনাদের এই নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতি সত্যিই প্রশংসনীয়। সবার জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (DU) এর সহযোগী অধ্যাপক ড. কাজলি শহরীন ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে যেন জেনোসাইড না হয়, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, জেনোসাইডের রাজনীতি ভালো করে অনুধাবন করতে হবে। কারণ শুধু এখন মানুষরা কীভাবে বেঁচে আছে, শরণার্থী শিবিরে তাদের জীবন, পরিচয়, নাগরিকত্ব, বাস্তুচ্যুতি, নিজের জায়গা থেকে উৎখাত হওয়া এবং ঘরে ফেরার আকাঙ্ক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলাটাই গুরুত্বপূর্ণ নয়; একইসাথে কী কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হলো এবং এর সমাধানের পথ নিয়েও আলোচনা করা জরুরি। তাই আমাদের কাছে বৈশ্বিক দায়িত্ব নিয়ে প্রবন্ধ রয়েছে, যার মধ্যে গণহত্যা স্বীকৃতি, প্রয়োজনে গণহত্যার সংজ্ঞা নির্ধারণ ও পুনঃনির্ধারণ, ভবিষ্যতে গণহত্যা প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা-এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত।

আমাদের শুধু শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নয়, পুনর্বাসন এবং মানসিক ও আবেগগত আরোগ্য নিয়েও কাজ করতে হবে, যাতে বেঁচে থাকা মানুষগুলো তাদের জীবন নিয়ে সামনে এগোতে পারে। আমার পটভূমি হলো যোগাযোগ ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন এবং বিশেষ আগ্রহ রয়েছে যোগাযোগ মাধ্যম, রাজনৈতিক ভাষ্য এবং বয়ান বা আখ্যানের ভূমিকা নিয়ে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমি দেখেছি, ব্রিটেনে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যা বলা হয় তা মূলত শরণার্থী সংকট হিসেবে তুলে ধরা হয়, গণহত্যা হিসেবে নয়। তাই বার বার বলা হয় যে, সংঘাতের কারণগুলোর পাশাপাশি, কিছু সময় পেরোনোর পরও এর শিকারদের জীবনে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।

এটা জানা গুরুত্বপূর্ণ যে গণহত্যার ৫, ১০ বা ৫০ বছর পর বেঁচে থাকা মানুষগুলো কেমন আছে। আমাদেরকে শুধু ট্রমা নয়, আরোগ্য নিয়েও কথা বলতে হবে।

সেমিনারের সভাপতি চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন সেমিনারে উপস্থিত দেশ-বিদেশের সকল শিক্ষক-গবেষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক সেমিনারের সার্বিক সফলতা কামনা করেন। আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোশরেকা অদিতি হক।

সেমিনারে ২য় সেশনে পরিচয়, নিরাপত্তা ইস্যু এবং মানবাধিকার বিষয় অধিবেশন সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নৃবিজ্ঞান বিভাগ প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ। এতে আলোচনা করেন সিলেট মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের সাবেক প্রফেসর ড. রমা ইসলাম, দিনাজপুর এইসএসটিইউ এর প্রফেসর মো. আবদুর রশিদ, মানবাধিকার কর্মী রাজিয়া সুলতানা, চেক প্রজাতন্ত্র পালাস্কি ওলোমৌক বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মনিকা বার্মা, মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. ইলিয়াছ ও চবি সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহিউদ্দীন।

দ্বিতীয় একাডেমিক অধিবেশন ‘সীমান্তের ভেতরে এবং বাইরে রোহিঙ্গাদের অবস্থা’ বিষয়ে সভাপতিত্ব করেন চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলা উদ্দিন। এতে আলোচনা করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালযয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদের, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. রকিবা নবী, রোহিঙ্গা ইতিহাসবিদ মাস্টার আমান উল্লাহ, নেপালের বি. কে. মিড-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির উপেন্দ্র বাহাদুর, ভাসান চর ব্র্যাকের ডা. মোঃ শাহজাহান আলী সরকার ও ভারতের জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের আশীষ কুমার।

তৃতীয় একাডেমিক অধিবেশন ‘দৈনন্দিন সংগ্রাম, সংকটাপন্ন বর্তমান ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ’ বিষয়ে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. খাদিজা মিতু। এতে আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ, সিলেট, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আল আমিন রাব্বি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. এন. এম. সাজ্জাদুল হক, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোঃ রুহুল আমিন, যুক্তরাজ্য, এলএসই, পিএইচডি প্রার্থী, বিষ্ণু প্রসাদ ও ঢাকা আইসিডিডিআরবির মোহাম্মদ সাঈদ মুনিম।

৪র্থ একাডেমিক অধিবেশন ‘কেন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য গণহত্যা স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে’ বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকে সঞ্চালকের দায়িত্বপালন করেন চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. নাসির উদ্দিন। এতে আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক, মানবাধিকার কর্মী রজিয়া সুলতানা, রোহিঙ্গা ইতিহাসবিদ ও মাস্টার আমান উল্লাহ।

আন্তর্জাতিক সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

আজকের সর্বশেষ সংবাদ