
দেশচিন্তা ডেস্ক: একটি মানবিক, শিক্ষিত ও সুশাসিত ফটিকছড়ি গড়তে গণমাধ্যমের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—এমন মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ও ১১ দলের সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতা কেবল খবর পরিবেশনের মাধ্যম নয়; এটি সমাজের সত্য ও অন্যায়ের পার্থক্য নির্ধারণের শক্তিশালী হাতিয়ার। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফটিকছড়ি উপজেলা সদরের একটি রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় অধ্যক্ষ নুরুল আমিন বলেন, গণমাধ্যম সমাজের চোখ। এই চোখ যদি সজাগ ও দায়িত্বশীল থাকে, তাহলে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অবিচার টিকতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের সৎ ও বস্তুনিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য ফটিকছড়ি গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি ফটিকছড়ির শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা কামনা করেন।
অধ্যক্ষ নুরুল আমিন বলেন, সত্য ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার জায়গা শক্তিশালী করে। এতে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা ইউছুপ বিন সিরাজের সভাপতিত্বে আয়োজিত মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির নাজিম উদ্দীন শিকদার, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুস, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তর জেলা সমন্বয়ক একরামুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি গাজী বেলাল উদ্দিন, যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি নবীর হোসেন মাসুদ, নাজিরহাট পৌরসভা জামায়াতের সভাপতি বায়েজিদ হাসান মুরাদ, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির উত্তর জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক, উত্তর জেলা শিবিরের সভাপতি শওকত, সাবেক উপজেলা আমির নাজিম উদ্দিন সিকদার, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের প্রশিক্ষণ সম্পাদক ফাহিম উদ্দিনসহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।
মতবিনিময়ে সাংবাদিকরা ফটিকছড়ির বিদ্যমান সমস্যা, উন্নয়নের সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরেন। খোলামেলা আলোচনায় স্থানীয় সংকট নিরসনে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ পায়।
সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ধরনের ধারাবাহিক সংলাপ গণমাধ্যম ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং ফটিকছড়ির উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।










