আজ : বুধবার ║ ১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ : বুধবার ║ ১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ২৯শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

কর্ণফুলীর চিংড়ি মাছে জিবিকা নির্বাহ করছে ৫শতাধিক পরিবার

কর্ণফুলী নদীর নগরীর শাহ আমানত ব্রীজ থেকে শুরু করে চান্দগাও, কালুর ঘাট ব্রীজ, রাউজানের কচুখাইন, নোয়াপাড়া চৌধুরী হাট, ঝিকুটি পাড়া, পালোয়ান পাড়া, উভলং, বাগোয়ান ইউনিয়নের পাচঁখাইন, লাম্বুর হাট, খেলার ঘাট, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী, তিন চৌদিয়া, কোদলা, ইছাখালী, চন্দ্রঘোনা, বোয়ালখালী উপজেলার কদুর খীল, চরনদ্বীপ, খিতাব চর, চরণদ্বীপ, খরনদ্¦ীপ, করল ডেঙ্গা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর মাঝ খানে ছোট ডিঙ্গি নৌকায় বসে বড়শি ফেলা হয় কর্ণফুলী নদীতে। তারপর সেই বড়শি দিয়েই তুলে আনা হয় তরতাজা চিংড়ি মাছ।এসব চিংড়ি ধরতে বড়শিটাও বিশেষভাবে লোহার চিকন তার দিয়ে বানানো। সেই বড়শিতে চিংড়ির দাঁত লাগিয়ে সজোরে টান মেরে নৌকায় তোলা হয়। নৌকায় পানিতে রাখা হয় জ্যান্ত অবস্থায়। সেসব চিংড়ি জ্যান্ত অবস্থায় চিংড়ি শিকারীদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা ক্রয় করে নিয়ে রাউজান রাঙ্গুনিয়া বোয়ালখালীর বিভিন্ন এলাকায় হাট বাজার ও নগরীর মদুনাঘাট মোহরা কালুর ঘাট, বহাদার হাট, চকবাজার, কাজীর দেউরী বাজারে নিয়ে মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করেন । এছাড়া ও ধনাঢ্য পরিবারের কাছে ও নদী থেকে চিংড়ি মাছ ধরার পর বিক্রয় করেন চিংড়ি মাছ শিকারীরা । কর্ণফুলী নদীতে নৌকায় বসে বড়শী দিয়ে চিংড়ি মাছ শিকারী বোয়ালখালী উপজেলার কদুর খীল এলাকার বাসিন্দ্বা সবুজ দে বলেন, গত কয়েক বৎসর ধরে কর্ণফুলী নদী থেকে চিংড়ি মাছ শিকার করছি । প্রতিদিন ১ কেজি থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত চিংড়ি মাছ ধরছি । অনেক সময়ে আধা কেজি চিংড়ি মাছ পায় । কর্ণফুলী নদীতে বড়শী দিয়ে যে চিংড়ি মাছ পায় তা বিক্রয় করে পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাছন্দে জীবন যাপন করে আসছি । চট্টগ্রাম নগরী থেকে কাপ্তাই পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীতে ৫ শতাধিক লোক কর্ণফুলী নদীতে ডিঙ্গি নৌকায় বসে বড়শী দিয়ে প্রতিদিন চিংড়ি মাছ শিকার করেন । কর্ণফুলী নদী থেকে বড়শী দিয়ে শিকার করা প্রতিকেজি মাঝারি সাইজের (২০-২৫ টা) চিংড়ি ১ জার থেকে ১২ শত টাকা দরে বিক্রি হয়।তরতাজা এসব চিংড়ির স্বাদও অতুলনীয়। সাধারণত প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ কেজির মতো চিংড়ি আসে এই বাজারে। সবসময় এ চিংড়ি ধরা যায় না। নদীর পানি যখন পরিষ্কার থাকে তখন ধরা পড়ে এসব চিংড়ি। স্থানীয় ভাষায় এসব চিংড়িকে বলা ‘ছোঁয়া ইছা’।স্থানীয় বিক্রেতারা জানায়, নদীর পানি ঘোলা থাকলে এ চিংড়ি ধরা পড়ে না। কারণ, ঘোলা পানিতে চিংড়ি মাছ বড়শি দেখতে পায় না। বড়শিতে ধরা এসব চিংড়ির কদরও বেশি।চট্টগ্রামের ভোজনপ্রিয় মানুষের খুব কম মানুষেই জানে এ চিংড়ির খোঁজ । যারা জানেন, তারা খুব সানন্দে কিনে নেন এসব চিংড়ি।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

আজকের সর্বশেষ সংবাদ