আজ : বুধবার ║ ৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ : বুধবার ║ ৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║২৩শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ১৮ই রজব, ১৪৪৭ হিজরি

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন দেলসি রদ্রিগেজ

দেশচিন্তা ডেস্ক: মাদুরোর একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক সংসদীয় অধিবেশনে ৫৬ বছর বয়সী দেলসি শপথ গ্রহণ করেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এদিকে মার্কিন সামরিক অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে।

যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবে মাদক চোরাচালানে জড়িত এবং তিনি অবৈধভাবে ক্ষমতায় আছেন। তাকে বিচারের জন্য নিউইর্য়ক-এর একটি আদালতে হাজির হাজির করা হয়েছে।
রদ্রিগেজকে শপথ বাক্য পাঠ করান তার ভাই জর্জ, যিনি ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের আইনসভার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোমবার অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে জানানো হয়, গত মে মাসে জাতীয় পরিষদের জন্য মোট ২৮৩ জন আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হয়েছেন।

তবে নির্বাচিতদের মধ্যে খুব কম সংখ্যক আইনপ্রণেতাকেই বিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ অধিকাংশ বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করেছিল।
বিশেষ করে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট এই নির্বাচনে অংশ নেয়নি। বিরোধীদের দাবি ছিল, নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নয়।

এদিকে শপথ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকা একমাত্র আইনপ্রণেতা ছিলেন ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে শপথ নেওয়ার পর দেলসি রদ্রিগেজ মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটকের ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘অবৈধ সামরিক আগ্রাসনের বেদনা নিয়ে আমি শপথ নিচ্ছি।’ এ সময় তিনি দেশের শান্তি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন।

সংসদীয় অধিবেশনে মাদুরোর ছেলেও উপস্থিত ছিলেন। তিনি তার মা–বাবার ফিরে আসার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় মাদুরো ও দেলসির সমর্থনে কয়েক হাজার মানুষ ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

রদ্রিগেজের শপথ গ্রহণের মাত্র দুই ঘণ্টা আগে নিউইয়র্কের আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে নিকোলা মাদুরো বলেন, ‘আমি একজন সজ্জন ব্যক্তি। আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।’ এ সময় নিজেকে ‘অপহৃত’ ও ‘যুদ্ধবন্দি’ হিসেবেও দাবি করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

আজকের সর্বশেষ সংবাদ