
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, গণঅধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান ডাকসুর সাবেক ভিপি নূরুল হক নূরুর উপর জঘন্যতম হামলা ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানায়। এবং ভিডিও ফুটেজসহ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। এই হামলায় প্রমাণ করে পতিত স্বৈরাচারের দোসর ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার গভীর চক্রান্ত। আমাদের সকলকে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। তিনি এই হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই ধরনের হামলা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির করবে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা সৃষ্টি করবে।
মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিয়ে তার বাস্তবায়ন করতে হবে। সেই আলোকে গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান করতে হবে। তারপর পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিয়ে জনগণের সংসদ ও সরকার গঠন করতে হবে। দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে ভোট চায়। প্রায় দল পিআর পদ্ধতিতে ভোট চায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনভাবেই দেশের ৭১ শতাংশ জনগনকে এবং ছোট-বড় সব রাজনৈতিক দলকে উপেক্ষা করে একটি মাত্র দলের জন্য পিআর পদ্ধতি এড়িয়ে যেতে পারে না, পারবে না।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের দেওয়ানবাজাস্থ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর কার্যালয়ে আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রাম অঞ্চল দায়িত্বশীল সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এইসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসান উল্লাহ, সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আমিরুজ্জামান, অধ্যাপক জাফর সাদেক, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য চট্টগ্রাম মহানগরী ভারপ্রাপ্ত আমীর পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর আলাউদ্দিন সিকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, খাগড়াছড়ি জেলা আমীর অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, মাওলানা আব্দুল আলীম রাঙামাটি পার্বত্য জেলা আমীর মাওলানা আব্দুল আলীম, বান্দরবান পার্বত্য জেলা আমীর মাওলানা আব্দুস সালাম আজাদ, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার, কক্সবাজার জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি জেলা সেক্রেটারি মিনহাজ উদ্দিন, বান্দরবান জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল আউয়াল প্রমুখ।
তিনি আরও বলেন, সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই করতে হবে। এবং জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে উৎসবমুখর নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন যেনো সত্যিকার অর্থে একটি জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়, যেখানে প্রতিটি নাগরিক অবাধে, ভয়-ভীতি ছাড়া ভোট দিতে পারেন—এই দাবিই আজ দেশের কোটি কোটি মানুষের।