
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমীর পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠার তাণ্ডব করেই ফ্যাসিবাদের বীজ বপন করেছিল আওয়ামীলীগ।
২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট ডাকসুর সাবেক ভিপি গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নূরুল হক নূরুর উপর পৈশাচিক কায়দায় হামলা সেই জঘন্যতম লগি-বৈঠার তাণ্ডবের কথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। আমরা এহেন ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং ভিডিও ফুটেজসহ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। পতিত স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টির ব্যানারে ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অপচেষ্টা চলছে বলেই আমরা মনে করছি।
তিনি বলেন, পুলিশ, আর্মি, আমলাসহ সর্বস্তরে ঘাপটি মেরে থাকা স্বৈরাচারের দোসর এবং সুবিধাভোগীরাই আদাজল খেয়ে নেমেছে ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনে। দু’হাজার শাহাদাত, অসংখ্য মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এবং হাজার হাজার মানুষের ত্যাগ-কুরবানীর বিনিময়ে অর্জিত ৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবকে এভাবে ব্যাহত হওয়া যাবে না। তাই আজ জাতীয় ঐক্যের বড়ই প্রয়োজন। জুলাই বিপ্লবের এন্টি ফ্যাসিস্ট চেতনার ভিত্তিতে মজবুত জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে হবে। অবিলম্বে জুলাই ঘোষনাপত্র গেজেট করা, জুলাই সনদের আইনি মর্যাদা দিয়ে এর ভিত্তিতেই পিআর সিস্টেমে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে মজবুত ঐক্য গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
চট্টগ্রাম ১০ আসনের কেন্দ্র কমিটির মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হালিশহর থানা আমীর ফখরে জাহান সিরাজীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, ডবলমুরিং থানা আমীর ফারুকে আজম, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইন্জিনিয়ার মাহবুবুল হাসান রুমী, পাহাড়তলী থানা আমীর নুরুল আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হালিশহর থানার নায়েবে আমীর ড.শাহাদাত হোসেন ও থানার এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল হক, ডবলমুরিং থানার এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইমরানুল হক ও সাইফুল ইসলাম, ২৪ নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের সেক্রেটারি মাকসুদুর রহমান।
সমাবেশে আলাদা মঞ্চে বক্তব্য রাখেন- চট্টগ্রাম ১০ সংসদীয় আসন পরিচালিকা চট্টগ্রাম মহানগরী মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরিদা খানম, সহকারী সেক্রেটারি রেহেনা আক্তার রানু। আরও উপস্থিত ছিলেন হালিশহর থানা সেক্রেটারি সীমা সাদিকা,পাহাড়তলী থানা সেক্রেটারি জয়নব বেগম , খুলশী থানা সেক্রেটারি খাদিজা বেগম, ডবলমুরিং থানা সেক্রেটারি তাহমিনা বেগম, পাঁচলাইশ থানা সেক্রেটারি কানিজ ফাতেমা, চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণ ছাত্রী দায়িত্বশীল রাদিয়া সালসাবিল প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রতিটি আসনে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে ২৪ সালের যেই গণঅভ্যুত্থান সেই জনআকাঙ্ক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হবে। চট্টগ্রাম-১০ আসনে আমাদের প্রার্থীর বিজয়ের মাধ্যমেই আমরা কাঙ্ক্ষিত সুফল অর্জন করবো