
দেশচিন্তা ডেস্ক: হাঙ্গেরিতে দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতা হারালেন ভিক্টর অরবান। এর ফলে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো দেশটিতে সরকার পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।
নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জরিপে বিরোধী দল তিসজা পার্টির নিরঙ্কুশ জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও, দলটির অনেক সমর্থক শেষ পর্যন্ত বিজয়ের সম্ভাবনা কল্পনাও করতে চাননি। ভিক্টর অরবানের নেতৃত্বাধীন ইলিবারেল ফিদেস পার্টির দীর্ঘদিনের শাসনে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে এমনভাবে প্রভাবিত করা হয়েছিল যে, অনেকেই মনে করতেন বিকল্প কোনো সরকার সম্ভব নয়।
তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করেন অরবান এবং বিজয়ী হন তার প্রতিদ্বন্দ্বী পেতের মদ্যর। তবে এই ফলাফল অনেকের কাছে এক ধরনের ‘রেজিম পরিবর্তন’-এর মতো মনে হয়েছে।
হাঙ্গেরির লেখক ও কবি আন্দ্রাস পেটোচ বলেন, ‘এই অনুভূতি তাকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় বুদাপেস্ট-এ থাকার স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।’
সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘কমিউনিস্ট শাসনের পতনের সময় আমার বয়স ছিল ৩০ বছর। অনুভূতিটা একদম একই-একই।’
আসন্ন প্রধানমন্ত্রী পেতের মদ্যর জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে অরবান শাসনের অবসান ঘটিয়েছি। আমরা একসঙ্গে হাঙ্গেরিকে মুক্ত করেছি। আমরা আমাদের দেশকে ফিরে পেয়েছি।’
















