
দেশচিন্তা ডেস্ক: প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন্স (আইআরপি) আয়োজিত ‘ক্যাটালাইজিং ইনোভেশন থ্রু রিসার্চ: আইআরপি রিসার্চ গ্রান্ট ২০২৫-২০২৬ অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি’ ০৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়| অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির| বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার এবং রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির| অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইআরপির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জনাব ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী| সঞ্চালনা করেন আইআরপির সহকারী পরিচালক জনাব সামিনা আলম|
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গবেষণার উৎকর্ষ সাধন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আইআরপি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাবনা আহ্বান করে| আহ্বানে মোট ১৮টি গবেষণা প্রকল্প জমা পড়ে| পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞ রিভিউয়ার, আইআরপি রিভিউ কমিটি এবং এথিক্স রিভিউ বোর্ডের নিবিড় মূল্যায়ন ও যাচাই-বাছাই শেষে ১৬টি প্রকল্প অনুমোদন পায়| এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ১৩টি গবেষণা প্রকল্পকে আইআরপি রিসার্চ গ্রান্ট প্রদান করা হয়|
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি ও সুনাম নির্ভর করে গবেষকদের গবেষণাকর্মের ওপর| এই গবেষণাকর্মের কারণে গবেষকরাও উজ্জ্বল হয়ে ওঠেন| আমি বিশ্বাস করি, আজকে যাঁরা রিসার্চ গ্রান্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন, তাঁরা তাঁদের গবেষণাকর্ম সঠিক সময়ে সম্পাদন করে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন| তিনি গবেষকদের আন্তঃবিষয়ক গবেষণা, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা এবং গবেষণার বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান| একই সঙ্গে তিনি আইআরপির গবেষণা কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং গবেষকদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন|
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভিত্তি হলো গবেষণা| গবেষণা বিভিন্ন পর্যায়ের হতে পারে| প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি প্রজেক্ট আহ্বানের মাধ্যমে গবেষণা পরিচালনা করছে| আমি মনে করি, যেকোনো গবেষণা বাস্তবে প্রতিফলিত করা গেলেই তা সার্থক| তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মানোন্নয়ন, বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জন এবং বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে অগ্রগতির জন্য মানসম্পন্ন গবেষণার কোনো বিকল্প নেই|
বিশেষ অতিথি রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির তাঁর বক্তব্যে গবেষণা প্রস্তাবনা ও গবেষণাকর্ম প্রণয়নের অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরেন| তিনি বলেন, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি গবেষণাবান্ধব একটি একাডেমিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে| আইআরপির এ উদ্যোগ শিক্ষকদের গবেষণায় আরও উৎসাহিত করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে|
সভাপতির বক্তব্যে আইআরপির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জনাব ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী বলেন, গবেষণার গুণগত মান নিশ্চিত করতে আইআরপি একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মূল্যায়ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছে| তিনি গবেষকদের উদ্দেশে বলেন, এই গবেষণা অনুদান যেন উচ্চমানের গবেষণা, আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনা এবং সমাজকল্যাণে কার্যকর অবদান রাখার মাধ্যমে যথার্থভাবে মূল্যায়িত হয়|
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, গবেষক, আইআরপির কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন|














