
দেশচিন্তা ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে উখিয়া ৬৪ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ৫ কোটি ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১ লক্ষ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার(৩১)জুলাই রাত ৮ টা ১০ মিনিট ও রাত ১১ টা ৪০ মিনিটের সময় পালংখালী সীমান্তবর্তী উলুবুনিয়া পুরাতন বিজিবি পোস্ট সংলগ্ন ফসলের জমি ও ডেইলপাড়া চেকপোস্টের উত্তর দিকে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে উক্ত ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১ আগস্ট) উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)’র অধিনায়ক পৃথক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শুক্রবার রাত ৮ টার সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপি’র বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ন এলাকার সীমান্তবর্তী উলুবুনিয়া পুরাতন বিজিবি পোস্ট সংলগ্ন ফসলের জমির পাশ দিয়ে ৪-৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখতে পেয়ে বিজিবি টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। পরবর্তীতে চোরাকারবারীরা মাদকদ্রব্য নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি ফাঁকা ফায়ার করায় তাদের হাতে থাকা ব্যাগ ফেলে রেখে দ্রুত দৌড়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ১টি ব্যাগের মধ্যে খাকী রঙ্গের প্যাকেটের ভেতরে নীল রঙ্গের বায়ুরোধী ১১ কাট অর্থাৎ ১ লক্ষ ১০ হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।যার আনুমানিক মূল্য ৩কোটি ৩০ লক্ষ টাকা।
অপরদিকে,একইদিন রাত আনুমানিক ১১ টা ২৯ মিনিটের সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপি’র বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ন এলাকার সীমান্তবর্তী বিজিবি ডেইলপাড়া চেকপোস্টের উত্তর দিকে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন দিয়ে ২ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখতে পেয়ে বিজিবি টহল দল চোরাকারবারীদেরকে ধাওয়া করে। পরবর্তীতে চোরাকারবারীরা তাদের হাতে থাকা ১টি পলিথিনের ব্যাগ ফেলে রেখে দ্রুত দৌড়ে ডেইলপাড়া গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ১টি পলিথিন ব্যাগের ভিতরে খাকী রঙ্গের প্যাকেটের ভেতরে নীল রঙ্গের বায়ুরোধী ৬ কাট অর্থাৎ ৬০হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা।
উক্ত স্থান গুলোতে দীর্ঘ তল্লাশি করা সত্ত্বেও অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। পলায়নরত চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে উক্ত চোরাকারবারীদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উখিয়া বিজিবি’র অধিনায়ক আরও জানান, মাদক সরবরাহকারী ও জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
















