
দেশচিন্তা ডেস্ক: রিকশা,ব্যাটারি রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে আজ সকাল ১১টায় নগরীর বেপারিপাড়া মোড়ে সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা শাখার আহবায়ক শ্রমিক নেতা আল কাদেরী জয়। আরো বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সদস্য আহমদ জসিম, শ্রমিক নেতা রোকন হাসান, ২৪ নং ওয়ার্ড নেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ বাবুল, স্থানীয় নেতা মোহাম্মদ হান্নান, মিরাজ উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ মারুফ হাওলাদার এবং পরিচালনা করেন মোহাম্মদ রফিক।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ” লক্ষ লক্ষ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা শ্রমিকরা দিনরাত পরিশ্রম করে আজ দেশের পরিবহন ব্যবস্থায় অনন্য ভূমিকা পালন করছে। অথচ সরকারি অনুমোদন কিংবা রুট পারমিট ও নীতিমালা না থাকায় আজ তার কোনো স্বীকৃতি নাই উপরন্তু বিভিন্ন এলাকায় অতীতের মতন একদল মাফিয়া ও চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্যের শিকার হতে হচ্ছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সরকার ও প্রশাসনের যোগসাজশে টোকেন ব্যবসা-চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দৈনিক ৫০-৬০/= টাকা থেকে ১০০-১৫০/= টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন হারে টোকেনের মাধ্যমে লাইন নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এভাবে স্থানীয় মাস্তানদের দাপটে নিরীহ ও অসহায় শ্রমিকদের জুলুম ও হুমকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অথচ প্রশাসন নির্বিকার।
অন্যদিকে এই যানবাহন যতটুকু কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব নিরসণে ভূমিকা পালন করছে তা যথাযথ পালনে দরকার নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনা। কিন্তু দেখা যায় বেপারী পাড়া, ছোটপুলসহ বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও ট্রাফিকের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তারা এসব গাড়ি জব্দ করে ডাম্পিং ও জরিমানা করেে। এমতাবস্থায় সড়কের শৃঙ্খলা বিধানের পরিবর্তে হয়রানি ও নির্যাতনের মধ্যে পড়তে হয়। তাই প্রশাসনের উচিত এসব জায়গায় নিরাপদ সড়ক ক্রসিং, সাবলেইন তৈরি করে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত চলাচলের ব্যবস্থা করা। ”
এই সময় বক্তারা ব্যাটারিচালিত যানবাহনে BRTA লাইসেন্স, রুট পারমিট ও নীতিমালা প্রণয়ন, শ্রমিকদের প্রশিক্ষণসহ ৬ দফা দাবিনামা তুলে ধরেন। সমাবেশ শেষে একটা মিছিল নগরীর এক্সেস রোড, আগ্রাবাদ হয়ে চৌমুহনী মোড়ে এসে শেষ হয়।











