
দেশচিন্তা ডেস্ক: আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা এবং উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে অত্র ৩৫ ন¤^র ওয়ার্ড কৃষক দলের নেতা কর্মীদের মাঝে উপহার বিতরণ করেন এই সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ এইচ এম আলমগীর চৌধুরী আরো উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি থানা কৃষক দলের সহ-সভাপতি মির্জা এলাম, কোতোয়ালি থানা কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম| কোতোয়ালি থানা কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল বসর|
কোতোয়ালি থানা কৃষক দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ কবির মোহাম্মদ| ওয়ার্ড কি সব দল নেতা ইয়ার মোহাম্মদ| কৃষক দল নেতা মোঃ শাহ আলম আরো কৃষক দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন| এতে অত্র এলাকার সমাজ কমিটির মুরুব্বিরা উপস্থিত ছিলেন| ৩৫ ন¤^র ওয়ার্ড নোমান কলেজ বাস্তোহারার রোডে সমাজ কমিটির অফিসে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়| অনুষ্ঠানে সবাই বক্তব্য রাখেন এবং এলাকার দুর্দশা নিয়ে আলোচনা করেন| এতে চট্টগ্রাম মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ এইচ এম আলমগীর চৌধুরী বলেন আপনাদের এলাকায় এই দুর্যোগের সময় আমাদের কৃষক দলের উদ্যোগে এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য কিছু উপহার নিয়ে এসেছি জানি এগুলো কিছুই না| এটা অতি অতি ক্ষুদ্র অতি সামান্য| এটা আমার আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র| আমার ইচ্ছা হচ্ছে আপনাদের জন্য কিছু করার জন্য| কিন্তু হয়তো সামর্থ্য কুলাইতে পারতেছি না|
যতটুকুই আছে আমরা অতটুক দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার জন্য এসেছি|আমরা ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ| আগামী যেকোনো সুবিধা অসুবিধা আমাদেরকে বিশেষ করে আমার কৃষক দলের নেতাকর্মীরা আপনাদের পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ| সরকারের পক্ষ থেকে আসা সেই বরাদ্দ সবচেয়ে বড় হকদার হচ্ছে এই এলাকাটা মানুষ| কেননা ৩৫ ন¤^র ওয়ার্ড সবচেয়ে অবহেলিত এবং সবচেয়ে গরীবদের মানুষের বসবাস হচ্ছে এই এলাকাটা এবং এই এলাকাটা পানিতে প্লাবিত বেশি হয়েছে| এই এলাকাটাতে ক্ষতি বেশি হয়েছে| তাইলে এই এলাকাটার এই এলাকার মানুষজনের হক বেশি ছিল না? হক সবচেয়ে বেশি ছিল| এই এলাকার মানুষের হক এখানে ৩৫ ন¤^র ওয়ার্ডের মধ্যে আমি সারা চট্টগ্রামের কথা বলবো না| কিন্তু অত্র এলাকায় বরাদ্দটা কি এসেছে? তা সবার জানা আর বেশি কিছু বললাম না সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই|











