
দেশচিন্তা ডেস্ক: চট্টগ্রাম শহরের আবাদকারী সেই মহান মনীষী হযরত পীর বদর আউলিয়া (রহ.)। চট্টগ্রাম শহরে ইসলাম প্রচার প্রসারে পীর বদর আউলিয়ার অবদান অবিস্মরণীয়। পীর বদর আউলিয়া কে ‘শহরের কুতুব’ বলে অভিহিত করেন। বারজন অলি-দরবেশ সর্বপ্রথম চট্টগ্রামে এসে ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন। ঐ বারোজন দরবেশের মধ্যে পীর বদর আউলিয়াকেই প্রধান হিসেবে জানা হয়। তিনি এই চট্টগ্রামকে মানুষের বসবাসের উপযুক্ত আবাসস্থল তৈরি করেন। সেই মহান সাধক পীর হযরত বদর আউলিয়ার সেই চিহ্ন চট্টগ্রাম নগরীর প্রাণ কেন্দ্র চট্টগ্রাম চেরাগী পাহাড় এ বিদ্যমান। তাঁর পবিত্র স্মৃতির চিহ্ন আমাদের চট্টগ্রামকে গৌরব উজ্জ্বল করে রেখেছে। গত ২৯ মার্চ, ২০২৬ইং রোজ রবিবার চট্টগ্রামের প্রখ্যাত অলিয়ে কামেল, গাউছে ছমদানি কুতুবে রাব্বানি সুলতানুল অলি চেরাগে চাঁটগ্রাম হযরত সৈয়দ পীর বদর আউলিয়া (রহ.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফের সমাপনী দিবসে জা’নশীনে আমিনে মিল্লাত, পীরে ত্বরিকত, আল আমিন হাশেমী দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন খলিফায়ে দরবারে আলা হযরত আল্লামা শাহছুফী কাযী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমী (মা.জি.আ.) মোনাজাত কালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পীর বদর আউলিয়া মাজার শরীফের মোতয়াল্লী আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ আবুল হাসেম, আশেকানে আউলিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ রিদওয়ানুল হক হক্কানী, মাওলানা কাযী মুহাম্মদ সফিরুর রহমান হাশেমী, মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ছালেকুল মাওলা, ইমাম শেরে বাংলা পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ আবু মুছা কাদেরী, মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল মোস্তফা চিশতী, মুহাম্মদ আঞ্জু ফকির প্রকাশ দরবেশ, এস.এম মঈনুল হক সহ অসংখ্য আলেম উলামা পীর মাশায়েখ দরবারের আশেক ভক্তগণ উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে মিলাদ কিয়াম দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাতের মাধ্যমে উক্ত ওরশ শরীফ সমাপ্ত হয়।











