আজ : ║ ║║

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সরকার বেইমানি করেছে : মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম

দেশচিন্তা ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছিল বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণমানুষের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে জুলাইয়ের সেই আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সরকার বেইমানি করেছে। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পরিবর্তে শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার ও মৌলিক প্রত্যাশা এখনো উপেক্ষিত।

তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বন্দর ইসলামী শ্রমিক সংঘ আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা প্রতিযোগিতা ও আন্তঃফুটবল টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, মহানগর সহ-সভাপতি মকবুল আহমদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১১ আসনের সাবেক এমপি প্রার্থী সফিউল আলম।

মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যমুক্ত, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শ্রমিক সমাজের আত্মত্যাগ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি, মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের যথাযথ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য সুশিক্ষা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। শিক্ষিত, নৈতিক ও দক্ষ নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে রাষ্ট্র, সমাজ ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই জুলাইয়ের চেতনার প্রকৃত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

এস এম লুৎফর রহমান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনো গণতান্ত্রিক ও কল্যাণরাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং তাদের পরিবারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শিক্ষা হলো—ন্যায়, সাম্য ও জবাবদিহিতার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য অর্জনে শ্রমিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের বন্দর থানা সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম আদনান, শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম পাঠান, রফিকুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম রুমেল, শাহ আলম, আমান উল্লাহ, রেজাউল করিম, রবিউল হাসান, সানাউল্লাহ প্রমুখ।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

পূর্বের নিউজ দেখুন

আজকের সর্বশেষ সংবাদ