
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবারের মতো কক্সবাজার সফরে এসেছেন তারেক রহমান। তার আগমনকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
তবে সকাল থেকেই মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
সপরিবারে কক্সবাজার পৌঁছানোর পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষমাণ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও স্লোগানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী এলাকায় যান প্রধানমন্ত্রী।
সেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন এবং এক পথসভায় বক্তব্য দেবেন।
এরপর দুপুর ১২টায় চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি পার্কটি পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে তার।
দুপুর ১টায় পেকুয়া উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন।
পরে দুপুর ২টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় আয়োজিত রাজনৈতিক জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
জনসভা শেষে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। রাত ৮টায় কক্সবাজার শহরের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে স্থানীয় বিশিষ্টজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে রাত ১০টায় একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
এর আগে সকাল পৌনে ৯টায় রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। পরে সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করেন।



















