
দেশচিন্তা ডেস্ক: হযরত শাহ আমানত খাঁন (রহ.) ছিলেন আল্লাহর অনেক বড় একজন মকবুল অলি| যিনি কারো সামনে নিজেকে প্রকাশ করে নাই| তাঁর অসংখ্য কারামত রয়েছে| প্রতিদিন তাঁর দরগাহ শরীফে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে অসংখ্য ভক্তের সমাগম ঘটে| লোকজন তাদের বিভিন্ন মিথ্যা মামলা মোকদ্দমায় জর্জরিত হয়ে তাঁহার দরগাহ& শরীফে এসে হাজেরী দেয় বলে তাঁকে শাহে বেলায়েত, শাহেনশাহে আদালত উপাধিতে ভূষিত করা হয়| আজ পর্যন্ত তাঁর দরগাহ শরীফে এসে কেউ খালি হাতে ফিরে যায়নি| এই দরগাহ শরীফকে বার আউলিয়ার পূন্যভূমির ন্যায় বিচারের আলাদত হিসেবে মান্য করা হয়| সেই খানে যে সকল দুর্দশাগ্রস্থ মানুষ ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে খাসনিয়তে এসে হাজিরা দেন তাদের মনের বাসনা তাঁর উছিলায় আল্লাহর শাহী দরবারে কবুল হয়ে যায়| কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর এই বেলায়তের প্রভাব সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে| গত ১৮ মে ২০২৬ ইং কুতুবে চাটগাঁ, শাহে বেলায়েত, শাহেন শাহে আদালত হযরত শাহ আমানত খাঁন (রহ)’র বার্ষিক উরস শরীফে জিয়ারতকালে আধ্যাত্নিক মানবসেবামূলক সংগঠন ইমাম শেরে বাংলা (রহ.) সুন্নি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্ঠা, আঞ্জুমানে আশেকানে মোস্তফা (দ.) ট্রাস্ট বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’র কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রা.) দরগাহ শরীফ সংলগ্ন শাহী জামে মসজিদের খতিব পীরে তরিকত্ব আলহাজ্ব শাহসূফি আল্লামা কাযী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমী (মা.জি.আ.) জিয়ারকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন| এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইমাম শেরে বাংলা (রহ.) সুন্নি ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, চট্টগ্রাম ফলমন্ডি মেসার্স ˆতয়্যবিয়া ফার্মের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলী হোসেন আরিফ, শাহজাদা মাওলানা কাযী মুহাম্মদ সফিরুর রহমান হাশেমী (মা.জি.আ.), মুহাম্মদ আবু মুছা কাদেরী আল চিশতী, মুহাম্মদ আবদুল কাদের, মুহাম্মদ কফিল উদ্দীন, এস.এম নুরুল আমিন, হোসাইন মুহাম্মদ তোহা কাদেরী, মুহাম্মদ ছিদ্দিক রেজা কাদেরী, মুহাম্মদ শাহিন আলম হক্কী সহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন| পরিশেষে মিলাদ কিয়াম দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাতের মাধ্যমে জিয়ারত সমাপ্ত হয়|










