আজ : বুধবার ║ ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ : বুধবার ║ ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ২০শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

জবিতে ৪ শিক্ষক পেলেন ভাইস চ্যান্সেলর গবেষণা পুরস্কার

দেশচিন্তা ডেস্ক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ভাইস চ্যান্সেলর রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। ২০২৩-২০২৪ সেশনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অনুষদ থেকে চারজন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

‎বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দপ্তরের আয়োজনে শহিদ সাজিদ ভবনের মিনি কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন। তিনি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে সনদপত্র, ক্রেস্ট ও সম্মাননা চেক তুলে দেন।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বিজ্ঞান অনুষদের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দ আলম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. হাছিনা আক্তার। তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য এ সম্মাননা লাভ করেন।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাদের দায়িত্ব এখন আরও বেড়ে গেছে এবং শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষকদের গবেষণায় আগ্রহ আরও বাড়বে।

‎তিনি আরও বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিং উন্নয়নে গবেষণার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে শিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহ দিতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং উন্নয়নের জন্য ‘র‌্যাংকিং ডেভেলপমেন্ট কমিটি’ গঠনের কথাও জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সবাইকে ‘টিম জগন্নাথ’ হিসেবে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান উপাচার্য।

জবি ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড শিক্ষকদের গবেষণায় সম্পৃক্ততা বাড়াবে এবং একাডেমিক পরিবেশকে আরও গতিশীল করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে এ উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

‎জবি গবেষণা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল জানান, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

‎বক্তারা ভবিষ্যতে অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, বেস্ট আর্টিকেল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন চালুর আহ্বান জানান। উন্নত বিশ্বের মতো এ ধরনের উদ্যোগ গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এবং আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

‎অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

আজকের সর্বশেষ সংবাদ