
দেশচিন্তা ডেস্ক: ফারুকুর রহমান বিনজু -পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: ভোট দিব কি-সে,ধা-নের শীষে।মার্কা আছে কি-না,আছে -কোন সে মার্কা,দাড়ি পাল্লা।,তোমার আমার প্রতীক কি- মোমবাতি ছাড়া আর কি।পটিয়া উপজেলার আনাচে কানাচে, গ্রামে গন্জে লিফলেট বিতরণ,উঠান বৈঠক ও মাইকিং শ্লোগানে মুখর মুখরিত করে তোলেন প্রার্থীদের প্রচার প্রচরণা।আগে পোস্টার, ফেস্টুন টাঙানো থাকলে বর্তমান ইসির নিষেধাজ্ঞায় তা আর হচ্ছে না।চায়ের দোকান, ক্লাবে,হোটেলে আড্ডায় এখন শুধু নির্বাচনী আলাপ।সকলের কৌতুহল কে জিতবে।ধানের শীষ,নাকি দাড়ি পাল্লা, নাকি মোমবাতি? কেউ নির্বাচনী সমীকরণ মেলাতে পারছে না।
ধানের শীষ শতভাগ জয় নিশ্চিত ধরলে ও আবার অনেকই বলেন,দাঁড়িপাল্লার বর্তমান ভোটব্যাংক বৃদ্ধি পেয়েছে ফলে দাঁড়িপাল্লা জয়ী হবে। আবার অনেক বলেন,নৌকার সকল ভোট মোমবাতিতে যাবে ফলে মোমবাতি জয়ী হবে।একেক জন,একেক যুর্ক্তি,একেক মন্তব্য,দাড় করাচ্ছে নিজ নিজ দলের জয়ের ব্যাপারে।
বর্তমান পটিয়ার সংসদ নির্বাচনে ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতায় আছে। তারমধ্যে বিএনপি,জামায়াত,ইসলামি ফ্রন্ট উভয়ে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দীতায় আছেন। বিএনপি শক্ত অবস্থানে থাকলেও জামায়াত ও ইসলামি ফ্রন্টকে সহজ ভাবে নিলে বিএনপি ভূল করবে।কারণ জামায়াত ও ইসলামি ফ্রন্টের কর্মীরা বসে নেই।তারা অপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে যুর্ক্তি তর্ক দিয়ে ভোটারদের মন জয় করে নিজ দলকে জিতাতে।
অবশেষে দেখা যাক নির্বাচনী বল কার জালে ঢুকে। আগাম কিছু বলা যাচ্ছে না।কারণ ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দীতা কারী দলগুলো তাদের সর্বশেষ নির্বাচনী কৌশল, প্রচার, প্রচরণা চালিয়ে যাচ্ছে।কেউ বলে ধর্মীয় প্রতারনাদের থেকে বাঁচতে ধানের শীষে ভোট দিন। কেউ বলে চাঁদা বাজদের থেকে বাঁচতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন। কেউ বলে সুন্নিয়তের রাস্ট্র গঠন করতে মোমবাতিতে ভোট দিন। ভোটারগণ ও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সেদিন যেদিন ব্যালেট পেপার চোখের সামনে আসবে।নিমিষেই অবসান ঘটবে পটিয়াবাসীর নির্বাচনী কৌতূহল।











