
দেশচিন্তা ডেস্ক: বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় অবস্থিত কনফিডেন্স সল্ট কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে আরও একজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় তিনি আইসিইউতে চিকিৎসারত ছিলেন। এ নিয়ে কনফিডেন্স সল্ট কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত নুর নবী হৃদয় (২৫) বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরখিজিরপুর গ্রামের উত্তর সাতঘড়িয়া পাড়ার নূর ছফার ছেলে।
রবিবার (১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ নুরুল আলম আশেক।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে কনফিডেন্স সল্ট কারখানায় এক বিস্ফোরণে ১১জন দগ্ধ হন, এতে নূর নবী হৃদয়ের শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে যায়। ওইদিন তাকে চমেক হাসপাতালের বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
নিহতের স্বজনদের সাথে আলাপ প্রসঙ্গে জানা যায়, ঘটনার দিন অন্যান্যদের মত তিনি কনফিডেন্স সল্ট কারখানায় টিকাদারের অধীনে
চুক্তিভিত্তিক কাজ করতে গিয়েছিল।
উল্লেখ্য যে, কনফিডেন্স কারখানায় বিস্ফোরণের আগুনে ১১জন শ্রমিক দগ্ধ হয়। দগ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড, বদন আলী বাড়ির মোহাম্মদ দিদার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
এ ঘটনায় অগ্নি দগ্ধ হয়ে এখনো চিকিৎসাধীন আছেন, পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার জাহিদ হোসেন (৩৮), চট্টগ্রাম নগরের মাদারবাড়ি এলাকার মোহাম্মদ লিটন (২৮), লোহাগাড়ার চুনতীর সিরাজুল ইসলাম (৩৪), রাউজান মোহাম্মদপুর এলাকার জাহিদুল আলম (৪২), পটিয়া শান্তিরহাট এলাকার মাহামুদুল হক (৪৫) এবং চন্দনাইশের কাঞ্চননগর এলাকার সেলিম উদ্দিন (৩০) সহ ৭ জন।
প্রসঙ্গত; ঘটনার দিন কনফিডেন্স সল্ট কারখানায় নতুন জেনেরেটর স্থাপনের সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে তারা দগ্ধ হয়।











