
দেশচিন্তা ডেস্ক: ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ ও বিভিন্ন এয়ারফিল্ড বন্ধ থাকায় স্থবিরতা নেমে এসেছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।
দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা এয়ারফিল্ড অদ্যাবধি বন্ধ থাকায় বুধবার (৪ মার্চ) এই বিমানবন্দর থেকে আরও ১১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত মোট ৪৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ মার্চ) বাতিল হওয়া আন্তর্জাতিক অ্যারাইভাল ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি এবং এয়ার আরাবিয়ার ৩টি ফ্লাইট। একইভাবে আন্তর্জাতিক ডিপার্চার ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি এবং এয়ার আরাবিয়ার ৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
তবে পরিস্থিতির মধ্যেও বুধবার সকাল থেকে কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করেছে। মাস্কাট থেকে আসা সালাম এয়ারের ফ্লাইট অভি-৪০১ সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রামে অবতরণ করে। পরে যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি সকাল ৯টায় মাস্কাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এ ছাড়া মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইট সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে অবতরণ করে এবং সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। মাস্কাট থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-৩২২ ফ্লাইট সকাল ৯টায় অবতরণ করে এবং সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
শাহ আমানত বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহীম খলিল বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট সূচিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।











