
দেশচিন্তা ডেস্ক: শিগগিরই বাংলাদেশ পুলিশে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, ‘পুলিশের জনবল বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করছি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পেলে খুব শিগগির পুলিশে আরও ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এর বাইরে সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) নিয়োগ দেওয়া হবে, সেটা যথা সময়ে পরে জানানো হবে।’
তিনি জানান, পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিগগির যথাযথ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে নিয়োগ করা হবে।
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি পুনর্গঠনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য পরিকল্পনা নেওয়া ও পরিকল্পনা মোতাবেক কাজ সম্পাদনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন বর্তমান সরকার দীর্ঘমেয়াদের পাশাপাশি জনগণের স্বল্পমেয়াদি প্রত্যাশা পূরণ করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সচিবালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই)- পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন।
এসময় তিনি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা। অগ্রাধিকারের মধ্যে আরও রয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা।’
তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য যাতে কৃত্রিমভাবে বাড়ানো না হয় এবং এ খাতে দীর্ঘ ১০-১৫ বছরের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। গতানুগতিক পন্থা অবলম্বন না করে নতুন বা সৃজনশীল পন্থায় ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’
সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। সেজন্য সারাদেশে চাঁদাবাজি নির্মূলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রথমে বিভাগীয় বা বড় শহর থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এজন্য প্রশাসন, পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন।’
বৈঠকে ডিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট তাসকীন আহমেদ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতকরণ, চাঁদাবাজি প্রতিরোধ ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ডিসিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব এইচ চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সালেম সোলায়মান, সচিব ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।










