
দেশচিন্তা ডেস্ক: চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মনোনয়ন বহাল রয়েছে। এ আসনে জাতীয় পার্টিসহ দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীর বিষয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অপেক্ষা করছে কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই কার্যক্রম হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির এম এ ছালাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এ ছালামের মনোনয়ন বাতিলের কারণ হিসেবে জানানো হয়, তিনি এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের সই করা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী জি এম কাদেরের সই করা মনোনয়নপত্রই দলীয়ভাবে বৈধ। ফলে নিয়ম না মানায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তার দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারের সই যাচাইয়ে দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে নির্বাচিত ১০ জন ভোটারই সই দেওয়ার সত্যতা অস্বীকার করেন। এ কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য উল্লেখ করলেও আমেরিকান গ্রিনকার্ডের কাগজপত্র দাখিল করতে পারেননি। সর্বশেষ বিদেশ ভ্রমণের তথ্যসহ কাজ দাখিলে আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাগজপত্র জমা না দিলে তার মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে।
এ আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন বহাল রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত মোস্তফা কামাল পাশা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আলা উদ্দিনের।
মনোনয়ন যাচাই শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই। সেজন্য সব প্রার্থীকে আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোট ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন।










