
দেশচিন্তা ডেস্ক: ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুলের জন্য নতুন বছরের শুরুটা হলো হতাশাজনক। দুই দলই পয়েন্ট হারিয়েছে। লিডস ইউনাইটেড আগস্টের পর প্রথম ক্লিনশিটে লিভারপুলের জয়যাত্রা থামাল। আর টানা আট ম্যাচ জেতার পর সান্ডারল্যান্ডের মাঠে হোঁচট খেল সিটিজেনরা। দুটি ম্যাচই শেষ হয়েছে গোলশূন্য ড্রয়ে। নতুন বছরে বাকি দুটি ম্যাচও ড্র হয়েছে। টটেনহ্যাম ও ব্রেন্টফোর্ডের ম্যাচে কোনো গোল হয়নি, পিছিয়ে পড়েও ক্রিস্টাল প্যালেসকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে ফুলহ্যাম।
সব প্রতিযোগিতা মিলে টানা চার ম্যাচ জেতার পর পয়েন্ট হারাল লিভারপুল। ১৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩৩। আর্সেনাল ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। দুই পয়েন্ট দূরে থেকে মাঠে নামা ম্যানসিটি এই ড্রয়ে গানারদের চেয়ে চার পয়েন্টে পেছনে পড়ে গেল। ১৯ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে পেপ গার্দিওলার দল।
অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের গোলশূন্য ড্রয়ে মূল ভূমিকা রেখেছে লিডসের পাঁচ সদস্যের রক্ষণভাগ।
ফর্মে থাকা এভারটনের সাবেক স্ট্রাইকার ডমিনিক কালভার্ট-লেউইন যখন বদলি হিসেবে মাঠে নামলেন, তখন অ্যানফিল্ডে প্রথম গোলের উচ্ছ্বাসে মাতলেও অফসাইডের পতাকা ওড়ান লাইন্সম্যান।
এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে লিভারপুলের বিপক্ষে এটি লিডসের দ্বিতীয় ড্র। তাতে তারা অপরাজিত থাকার রেকর্ডকে টানা ছয় ম্যাচে নিয়ে গেল। এই ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাস্টন ভিলার সঙ্গে ব্যবধান চার পয়েন্টে কমিয়ে নিয়ে আসার সুযোগ থাকলেও তা লুফে নিতে পারেনি লিভারপুল। লিডসের চারের বিপরীতে ১৮টি শট নিয়েও গোলমুখ খুলতে পারেনি তারা।
এদিকে সান্ডারল্যান্ড ঘরের মাঠে টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ড ১০ ম্যাচে নিলো। স্টেডিয়াম অব লাইটে দুই দলই আক্রমণভাগে সক্রিয় ছিল। সুযোগ তৈরি করেছিল সমানভাবে। ম্যানসিটির বার্নার্ডো সিলভার একটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়। ব্রায়ান ব্রবি ও আর্লিং হালান্ডের প্রথমার্ধের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় কিপারের কাছে।
বিরতির আগে ট্রাই হিউমের একটি হেড গোলবারের উপর দিয়ে যায়। সাভিনহো ও আলিয়েজার মায়েন্দা দ্বিতীয়ার্ধে গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। খেলা শেষ হওয়ার ১৬ মিনিট আগে জসকো জিভারদিওল পোস্টে আঘাত করেন। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে দুই দল পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে।


















