আজ : বুধবার ║ ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ : বুধবার ║ ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ║ ১২ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নতুন কুঁড়ি, আট খেলায় ১ লাখ ৬০ হাজার কিশোর-কিশোরী : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশচিন্তা ডেস্ক: যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করতে ও মেধাবী ক্রীড়াবিদ বের করতে সরকার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস চালু করছে। নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের মাত্র আড়াই মাসের মধ্যেই ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

২৯ এপ্রিল (বুধবার) এ নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সাংবাদিক সম্মেলন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

১২-১৪ বছর বয়সে কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে সারা দেশজুড়ে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণ করবে। প্রতিটি খেলা উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় পর্যায়ের পর ঢাকায় চূড়ান্ত পর্ব হবে। ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে দেশের অন্য সকল জেলা স্টেডিয়ামে অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীরা উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি সবার সাথে যুক্ত থাকবেন এমনটাই সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী কিশোর-কিশোরীদের রেজিস্ট্রেশন করতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন কিশোর, ৪৪ হাজার ১৩৩ জন কিশোরী। সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৩২৪ জন সিলেট জেলার। ঢাকায় চূড়ান্ত পর্বের পর মেধাবী ও সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মেধাবী ও সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদদের বিকেএসপিতে দেব। মেধাবী কিশোর-কিশোরীরা কোনো না কোনো স্কুলের শিক্ষার্থী হবে ফলে তাদের ক্রীড়া বৃত্তির আওতায় আনা হবে।’

সাভারে বিকেএসপির মূল কার্যালয়ে সুযোগ-সুবিধা সবচেয়ে ভালো কিন্তু সেখানে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী। আবার অন্য জেলায় বিকেএসপি থাকলেও সেখানে সুযোগ-সুবিধা কম। তাই বর্তমান সরকার অন্য বিকেএসপির মান্নোয়নে জোর দিচ্ছেন, ‘চট্টগ্রামে একজন মেধাবী খেলোয়াড় পাওয়া গেলে সে যেন চট্টগ্রাম বিকেএসপিতেই থাকতে পারেন আমরা সেই ব্যবস্থা করতে চাই। এজন্য আঞ্চলিক বিকেএসপিগুলোর সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।’

আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণে অনেক সময় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠে। আবার এ রকম ট্রায়াল বা টুর্নামেন্টে এসে ইনজুরিতে পড়ে অনেক কিশোর-কিশোরীর জীবন হুমকির সম্মুখীনও হয়। এ নিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিভা বাছাইয়ে কোনো স্বজনপ্রীতি থাকবে না। আমি মন্ত্রী হিসেবে নয় একজন খেলোয়াড় হিসেবে এটা তদারকি করব। আমাদের মেডিক্যাল টিম থাকবে যারা সর্বাত্মক চিকিৎসা প্রদান করবে।’

বিগত সময়ে প্রতিভা অন্বেষণের নামে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বিকেএসপি, ক্রীড়া পরিদপ্তর থেকে নানা কর্মসূচি হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে পরিকল্পনার কোনো সমন্বয় না থাকায় সরকারের অর্থ ব্যয় হলেও তেমন কার্যকরিতা আসেনি। এ নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য,‘আমরা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। মন্ত্রণালয়,এনএসসি কর্মকর্তার সহায়তা করছে। আমাদের কোনো ভুল-ত্রুটি থাকলে আপনারা দেখিয়ে দেবেন, আমরা শুধরে নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে উন্নয়নে কাজ করব সবাই একসঙ্গে।’

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

আজকের সর্বশেষ সংবাদ