আজ : সোমবার ║ ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ : সোমবার ║ ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ২৫শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে দরিদ্র মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে- আবু সুফিয়ান, মাননীয় এমপি

দেশচিন্তা ডেস্ক: বাংলাদেশ জেলা শিশু একাডেমি, চট্টগ্রাম, কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রাম, চট্টগ্রাম অঞ্চল, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে ১৩ এপ্রিল (সোমবার) সকাল ১০টায় অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য আয়বৃদ্ধির উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রামের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনি রোজারিও। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, মাননীয় সংসদ সদস্য, চট্টগ্রাম-৯ আসন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে অংশ নিতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি মানবসেবার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার ও এনজিওসমূহ সম্মিলিতভাবে কাজ করলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে। এ ক্ষেত্রে তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশীষ হালদার, সিনিয়র ম্যানেজার, বান্দরবান এপিসিও। তিনি তাঁর বক্তব্যে শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিশুশ্রম নিরসন, অপুষ্টি ও ক্ষুধামুক্ত সমাজ গঠন এবং উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান জানান।এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, যুগ্ম আহ্বায়ক, মহানগর বিএনপি, এনজিও প্রতিনিধি আলী সিকদার, নির্বাহী পরিচালক, স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশন, পিযুষ দাশগুপ্ত, প্রোগ্রাম ম্যানেজার, ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থা, জিন্নাত আরা, ইনচার্জ, অপরাজেয় বাংলাদেশ, এবং সিরাজুল ইসলাম, সমন্বয়কারী, ঘাসফুল ।ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ডেনিশ তপ্ন, রিতা দোলন রোজারিও, শারমিন আক্তার, রিপা চাকমা, পায়েল খ্রীস্টিনা দাশ এবং স্মীতা দে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগ উপকারভোগীদের টেকসই উন্নয়ন এবং স্বাবলম্বী করে তুলবে। এই কর্মসূচীর মূল উদ্দেশ্য ছিল অতিদরিদ্র পরিবারগুলোর আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তাদেরকে স্বাবলম্বী করে তোলা। উপকারভোগীদের মাঝে প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে তাদের ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনায় সহায়তা প্রদান করা হয়, যাতে তারা নিজ উদ্যোগে আয় করতে পারে এবং ভবিষ্যতে ব্যবসার পরিসর বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে এই আয় পরিবারগুলোর শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিত করতেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে।মোট ২২০টি অতিদরিদ্র পরিবারকে আয়বৃদ্ধি উপকরণ প্রদান করা হয়।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

আজকের সর্বশেষ সংবাদ