
দেশচিন্তা ডেস্ক: বরকল গেয়ারভী শরীফ উদযাপন পরিষদ-এর আয়োজনে পবিত্র খতমে গেয়ারভী শরীফ ও ইফতার মাহফিল যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাহফিলে এলাকার আলেম-ওলামা, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক হিরু। সঞ্চালনা করেন পরিষদের সদস্য সচিব মাওলানা মুহাম্মদ রুহুল আমিন আলকাদেরী। খতমে গেয়ারভী শরীফ পাঠ, কুরআন তিলাওয়াত ও নাত-এ-রাসূল (সা.) পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরবর্তীতে মাহে রমজানের ফজিলত ও গেয়ারভী শরীফের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন-জিএম শাহাদত হোসাইন মানিক, অধ্যক্ষ আল্লামা গাজী মুহাম্মদ ইকবাল তাহেরী, মাওলানা মুহাম্মদ সরোয়ার উদ্দীন,মাওলানা মুহাম্মদ জহুরুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মদ আবু হানিফ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মেম্বার, মাওলানা মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, জিএম তৈয়ব আলী, মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মুহাম্মদ সৈয়দ, আহমদ কবির, জিএম লিয়াকত আলী, মুহাম্মদ মনসফ আলী কন্ট্রাক্টর, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আলাউদ্দীন, মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুল হক আলকাদেরী। বক্তারা বলেন, খতমে গেয়ারভী শরীফ আমাদের আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই আয়োজন সমাজে ঈমানি চেতনা জাগ্রত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। মাহে রমজান ত্যাগ, সংযম ও সহমর্মিতার মাস। ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে। বর্তমান সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে ধর্মীয় চর্চা ও আধ্যাত্মিক অনুশীলনের বিকল্প নেই। গেয়ারভী শরীফের শিক্ষা আমাদের নৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে। সভাপতি বক্তব্যে মুহাম্মদ আবদুল মালেক হিরু বলেন, পরিষদ সবসময় ধর্মীয় ও সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। আলোচনা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।











