
দেশচিন্তা ডেস্ক: শিশুদের প্রকৃতি এবং পরিবেশের সাথে পরিচিত করে তুলতে পারলে তারা বড় হয়ে প্রকৃতি প্রেমিক হবে। সুন্দর পৃথিবী গড়তে পরিবেশ এবং প্রকৃতিকে সমৃদ্ধ করার বিকল্প নাই। শিশু মনের সুপ্ত অনুভূতিগুলো তারা রং তুলিতে প্রকাশ করে। তাই শিশু মনে আনন্দ জাগাতে চিত্রাংকন অন্যতম মাধ্যম। আজ ১ জানুয়ারী বিকেলে সঙ্গীত পরিষদ অঙ্গনে ২৭তম বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তাগণ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। ২ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামস্থ অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ এর পরিচালক মি: ব্রনো লেক্রামপ। পরিষদ পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি প্রফেসর প্রণব মিত্র চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারী চারুকলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর রীতা দত্ত ও সীতাকুণ্ডু লতিফা সিদ্দিকী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ শিমুল বড়ুয়া। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামে সফররত কানাডীয়ান চিত্রশিল্পী ও লেখক ডানা ওয়েসিস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিষদ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক তাপস হোড়। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের কোষাধ্যক্ষ সাজেদুল হক ও পরিচালনা কমিটির সদস্য এডভোকেট সেলিনা আকতার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিষদের শিক্ষক প্রিয়ম কৃষ্ণ দে। ৭৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর অংকিত ছবি নিয়ে সঙ্গীত পরিষদ ২ দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে। উপস্থিত দর্শকরা শিশুদের অংকিত ছবিগুলির ভূয়সী প্রসংশা করেন। অনুষ্ঠানের শেষে “মোরে ডাকি লয়ে যাও মুক্তদ্বারে” শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিষদের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিষদের শিক্ষক-শিক্ষিকা যথাক্রমে অন্তরা দাশ, বনানী চক্রবর্ত্তী প্রমিত বড়ুয়া, অঞ্জন দাশ, সুখরঞ্জন হালদার, সুচিত্রা চৌধুরী, দীপ্ত দত্ত, দিপ্তি মজুমদার, পিন্টু ঘোষ, দেবাশীষ রুদ্র, পলাশ চক্রবর্ত্তী, শিউলি মজুমদার, হ্যাপি ঘোষ, মৌসুমি কর, দেবাশীষ দাশ, অভিষেক দাশ গুপ্ত, এ.এস.এম একরাম, সেতু ধর প্রমুখ।










