আজ : বৃহস্পতিবার ║ ১লা জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ : বৃহস্পতিবার ║ ১লা জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║১৭ই পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ১২ই রজব, ১৪৪৭ হিজরি

৬ জানুয়ারি জকসু নির্বাচন হবেই: শিক্ষক সমিতি

দেশচিন্তা ডেস্ক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেছেন, আগামী ৬ জানুয়ারি জকসু নির্বাচন হবেই। আমাদের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে যতটুকু করণীয় আছে, তার সবটুকু করবো ইনশাআল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় শিক্ষক সমিতি কার্যালয়ে জকসু নির্বাচন ও সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে ডাকা এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রইছ উদ্দীন বলেন, জকসু নির্বাচন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্র সংসদ নির্বাচন। এখানে যেই নির্বাচিত হয়ে আসুক, সেই হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ইতিহাস। সে আমাদেরই প্রতিনিধিত্ব করবে।

লিখিত বক্তব্যে জবি শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. বেলাল হোসাইন বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর সকালে উপাচার্য মহোদয় এক জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জকসু নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত সব সদস্যই এই সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দেন। সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। অথচ সভা শেষে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বিশেষ করে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনকে এই সিদ্ধান্তের জন্য দায়ী করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তার বিভাগীয় কক্ষে তালা লাগানো হয় এবং প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রশাসনবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। যারা পরিকল্পিতভাবে এই ঘৃণিত কাজ করেছে, তারা শিক্ষক সমাজের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে।

লিখিত বক্তব্যে জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, জকসু নির্বাচনের নীতিমালা অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের নেতৃত্বেই প্রণীত হয়েছে। মাত্র দেড় মাসের মধ্যে খসড়া নীতিমালা প্রস্তুত করে তা সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে সিন্ডিকেটের দুটি কমিটি, ইউজিসির কমিটি এবং সর্বশেষ মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে তিনি নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের সঙ্গে কাজ করে আজকের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন।

ড. ইমরানুল হক বলেন, অথচ গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়াকে কেন্দ্র করে কিছু শিক্ষার্থী এবং কিছু মিডিয়া ও ফেসবুক পেজ উদ্দেশ্যমূলকভাবে অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনকে দায়ী করছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক, ন্যাক্কারজনক এবং অনভিপ্রেত। শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা এই ধরনের অপপ্রচার ও ঘৃণিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

আজকের সর্বশেষ সংবাদ