
দেশচিন্তা ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বৈধ ঘোষিত ইজিবাইকসহ ব্যাটারিচালিত যানবাহন জব্দ বন্ধ, সিএমপি পুলিশের প্রজ্ঞাপন বাতিল ও বিআরটিএ লাইসেন্স,রুট পারমিটসহ ৪ দফা দাবিতে রিকশা ব্যাটারি রিকশা ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেয়র ডাঃ শাহদাত হোসেন বরাবর আজ স্মারকলিপি পেশ করা হয়। প্রতিনিধি দলে এসময় উপস্থিত ছিলেন ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক আল কাদেরী জয়, সদস্য সচিব সদস্য সচিব মো: মনির হোসেন, সদস্য আহমদ জসিম, মাসুদ, মোহাম্মদ সোহেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
স্মারকলিপির লিখিত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, যেখানে সুপ্রিম কোর্টের আদেশে ২২ টা মহাসড়ক ব্যতীত সারাদেশে ব্যাটারিচালিত যানবাহন নীতিমালার অধীনে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে, সেখানে চট্টগ্রামে মেট্রোপলিটন পুলিশ ব্যটাারি রিকশা উচ্ছেদ একটা গনবিরোধী পদক্ষেপ এবং জারিকৃত প্রজ্ঞাপন সুপ্রিম কোর্টের আদেশের সাথে সাংর্ঘষিক। এছাড়াও গলির ভেতর থেকে গাড়ি ধরা, ২১ দিন পর্যন্ত তা আটকে রেখে এবং রেকার বিল( ৭৫০/=) টাকার বেশি জরিমানা আদায় করে এক জুলুমের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। গত কয়েকদিন আগে একটা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে কিভাবে আদায়কৃত জরিমানার টাকাটা পুলিশের টাকা বানানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে।এছাড়াও মেয়র কর্তৃক নগরীর বিভিন্ন রুটে এই গাড়ি চলাচলের রুট নির্দিষ্ট করা হলেও,তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ ট্রাফিক প্রশাসন নেয় নি। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সড়ক শৃঙ্খলার জন্য তাই অবিলম্বে BRTA অনুমোদিত লাইসেন্স, রুট পারমিট ও নীতিমার কোনো বিকল্প নেই।”
সড়ক শৃঙ্খলার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে মেয়র ডাঃ শাহদাত হোসেন জানান, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের লাইসেন্স দেয়ার দায়িত্ব বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের, সিটি করপোরেশনের নয়। পরে মেয়রের পক্ষ থেকে তাঁর একান্ত সচিব জিয়াউর রহমান ( জিয়া) র কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।