
দেশচিন্তা ডেস্ক: অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের বিশেষ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান শফিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সাইবার নিরাপত্তা আইনের মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন ‘ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম”র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫শে জুলাই ২০২৬, রোজ শনিবার বিকাল ৩টা ঘটিকায় বন্দর নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন ঐতিহাসিক টাইগার পাস চত্বরে সংগঠনের সভাপতি শিবির আহমেদ ওসমান’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড প্রেস ক্লাব চট্টগ্রামের উপদেষ্টা নুরুল আবছার তৌহিদ, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড প্রেসক্লাব বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ফৌজুল আজাদ চৌধুরী এবং প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মফ¯^ল সাংবাদিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ আরেফীন। উক্ত মানববন্ধনে চট্টগ্রামে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং মানবাধিকার কর্মীরা সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। মানবন্ধনে প্রধান অতিথি নুরুল আবছার তৌহিদ বলেন, ঢাকা প্রতিদিন এর বিশেষ প্রতিবেদক হাফিজুর রহমান শফিকের গ্রেপ্তারের ঘটনাটি ¯^াধীন সাংবাদিকতা, বাগ ¯^াধীনতা ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদকের কন্ঠকে রোধ করার শামীল। অনুসন্ধান প্রতিবেদনের পর যথাযথ কর্তৃপক্ষের তদন্ত ছাড়া একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা ¯^াধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিবাচক বাতা বহন করে। প্রধান বক্তা সোহাগ আরেফীন বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের প্রশাসনিক অনিয়ম, কেনাকাটায় দুনীতির অভিযোগ কিছু কর্মকর্তা নিয়ে তথ্য উপাত্তভিত্তিক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘন্টার মধ্যে হাফিজুর রহমান শফিকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে ২১শে জুলাই মঙ্গলবার শাহবাগ থানার এসআই জিয়াউলের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল সাংবাদিক শফিককে তার কর্মস্থল থেকে বাসার কাছাকাছি মগবাজার আসলে তাকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। সাংবাদিককে থানায় নেওয়ার সময় পুলিশী হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাকে অপমান, গালিগালাজ ও মানসিকভাবে হেনস্থা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলতে চাই অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের পর তার সত্যতা যাচাইয়ের নিরেপেক্ষ তদন্তের পরিবর্তে দ্রুত মামলা ও গ্রেফতার ¯^াধীন সাংবাদিকতার জন্য অশনী সংকেত। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের প্রবনতা গণমাধ্যমের ¯^াধীনতার জন্য বড় ধরনের হুমকি। এতে ভবিষ্যতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিরুসাহিত হতে পারে। মানবন্ধনের সভাপতি শিব্বির আহমেদ ওসমান বলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তথ্য নিয়ে আপত্তি থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা উচিত ছিল। কিন্ত, তদন্তের আগে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা কতটা আইন সম্মত যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত সেই প্রশ্ন এখন জনমনে দেখা দিয়েছে। এতে বক্তারা আরো বলেন, সত্য ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করতেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই মামলা দায়ের ও গ্রেফতার করা হয়েছে। অনতি বিলম্বে হাফিজুর রহমান শফিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে, তাঁকে ¯^-সম্মানে মুক্তি দেওয়া না হলে দেশব্যাপী তীব্র সাংবাদিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম এর সহ-সভাপতি জামাল চৌধুরী বিপ্লব, সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মিজান উল্লাহ সমরকান্দী, বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি কেএম রুবেল, একাত্তর সংবাদের সম্পাদক সুমন সেন, আজকের মানব সময় পত্রিকার সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন বাহার, এসটিভির প্রধান সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, চৌকষ পত্রিকার ব্যুরো প্রধান শাহীন আহমেদ, সংবাদ সংযোগ পত্রিকার ব্যুরো প্রধান জহিরুল ইসলাম, ইউনাইটেড প্রেস ক্লাব চট্টগ্রামের যুগ্ম সম্পাদক, মো. সেলিম উদ্দিন, কবির আহম্মেদ মানিক, ইমাম হোসেন জীবন, দপ্তর সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, মরনিং পোষ্ট এর জেলা প্রতিনিধি মো. অলিউল্লাহ চৌধুরী, সাংবাদিক রুকন উদ্দিন জয়, মানবাধিকার নেতা এসএম শামসুল হক, সাংবাদিক সালাউদ্দিন সোলায়মান, রাহাত খান, রাজীব দাশ, এম ইউছুফ, এসএম মইনুদ্দিন, মুহাম্মদ সোলাইমান, গাজী নুরুল হক শাহ, মোহাম্মদ রুবেল, সাইদ নুর (রাসেল), মোহাম্মদ হাসান, মোহাম্মদ শওকত হোসেন, মো. সোহেল রানা, রিয়াজ উদ্দিন, মিজানুর রহমান, সোলাইমান, এবিএম জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, শওকত হোসেন, আরিফুল ইসলাম, মো. হায়দার জীবন, তামান্না বিনতে শুভ নাহা, মিজানুর রহমান, বিবি কুলসুম, ওমর ফারুক, ইমতিয়াজ হামীম, সোহেল রানা ও ফারুক আহমেদ প্রমুখ।











