
দেশচিন্তা ডেস্ক: অবিলম্বে ব্যাটারিচালিত যানবাহনে টোকেন ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও শ্রমিক হয়রানি বন্ধ, ৩২৫০/= টাকা জরিমানা ও ৩০ দিনের গাড়ি আটকের বিধান রহিত করা সহ ৬ দফা দাবিতে রিকশা ব্যাটারি রিকশা ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে ৮ জুন (সোমবার) বিকাল ৩টায় আগ্রাবাদ মোড়ে মানববন্ধন, সমাবেশ, মিছিল ও ট্রাপিক পুলিশ কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
রিকশা ব্যাটারি রিকশা ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদের ২৪ নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক মো মারুফ হোসেন এর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তব্য রাখেন বাসদ চট্টগ্রাম জেলা ইনচার্জ ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক আল কাদেরী জয়। মো মহিন উদ্দিন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট চট্টগ্রাম নগর শাখার সভাপতি মিরাজ উদ্দিন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ পরিচালনা করেন ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য আহমদ জসিম। সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন লাইনে অবৈধভাবে ব্যাটারি রিকশা জব্দ করে শ্রমিকদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। রিকশা আটকের পর প্রায় ১মাস রিকশা আটকে রেখে রেকারবিল সহ ৩২৫০/- অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। এখন আবার নগরের বিভিন্ন লাইনে স্থানীয় মাস্তানদের টোকেন ব্যবসা ও চাঁদাবাজিরর ফলে রিকশা ড্রাইভারদের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। সরকারের কাছে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি- লাইসেন্স, নীতিমালা ও রুট পারমিট প্রধান করা। কিন্তু সরকার লাইসেন্স ত দিচ্ছেই না বরং পুলিশ ও স্থানীয় মাস্তানদের হয়রানির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ১মাস রিকশা আটকে রেখে রেকারবিল সহ ৩২৫০/- অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। ফলে রিকশা ড্রাইভারদের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। অথচ ২০২২ সালে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী দেশের ২২ টি মহাসড়ক ব্যাতীত নীতিমালার অধীনে এই সকল ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের কথা বলা হয়েছিলো। আমরাও চাই, এই লক্ষাধিক যানবাহনগুলো একটা শৃঙ্খলার সাথেই যেন চলাচল করতে পারে। এতে সরকার পাবে ট্যাক্স ও শ্রমিকরা পাবে তাদের কাজের ন্যায্য অধিকার। তাই সরকারের কাছে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি- লাইসেন্স, নীতিমালা ও রুট পারমিট প্রধান করা। কিন্তু প্রশাসন লাইসেন্স ত দিচ্ছেই না বরং পুলিশি হয়রানির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। চট্টগ্রাম শহরের মত গুরুত্বপূর্ণ শহরে যেকোনো জায়গায় যাতায়াতের সহজ মাধ্যমে জ্বল এই ব্যাটারি রিকশা, ও ইজিবাইক। একদিকে যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অপরদিকে যাতায়াতের সহজ মাধ্যম হিসাবে এ যানের ব্যবহার অত্যাধিক। তাই শ্রমিকদের এসব দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে প্রশাসন কর্তৃক হয়রানি বন্ধ করে রিকশা উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে।











