
দেশচিন্তা ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যা সমর্থন, শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান ও শিক্ষার্থীদের উত্যক্ত করার অভিযোগে আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মাহমুদ রোমান শুভকে আটক করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেয়ার ৯ ঘণ্টা পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে তিনি ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।
জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত চলাকালীন তিনি ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় আইন অনুষদের গ্যালারি-১ এ পরীক্ষক হিসেবে উপস্থিত হন। চাকসু নেতারা সেখানে পরিদর্শনে গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। কিছুদূর ধাওয়া করে তাকে ধরতে সক্ষম হন নেতারা। এরপর তাকে দুপুর ১২টার দিকে প্রক্টর অফিসে হস্তান্তর করেন। ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার বিষয়ে চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব জানান, তারা হাটহাজারী থানায় মামলা করতে গেলে তাদের জানানো হয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া মামলা গ্রহণ করা যাবে না।
তিনি আরও জানান, তারা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে মামলা করার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত চলমান এবং তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
থানায় মামলা করার বিষয়ে চকসুর আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ সময় সংবাদকে বলেন, ‘৩ ঘণ্টা ধরে চেষ্টা করেও হাটহাজারি থানার ওসি মামলা নেননি। গ্রেফতার তো দূরের কথা।’
সহকারী অধ্যাপক হাসান মাহমুদ রোমান শুভকে প্রক্টর অফিস থেকে প্রশাসনিক ভবনে উপ-উপাচার্যের (একাডেমিক) কার্যালয়ে নেয়া হয় এবং সেখান থেকে প্রক্টরের গাড়িতে করে তিনি ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।










