আজ : মঙ্গলবার ║ ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ : মঙ্গলবার ║ ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ║ ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগে ‘পৌষ পার্বণ’ অনুষ্ঠিত

দেশচিন্তা ডেস্ক: প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের সোশ্যিওলজি ক্লাবের উদ্যোগে ‘পৌষ পার্বণ-২০২৬’ মনোজ্ঞ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, সকাল ১০.৩০টায় প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে শুরু হওয়া এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। তিনি অনুষ্ঠান উদ্বোধন করে বলেন, এখন পৌষ মাস চলছে। প্রচুর ঠান্ডা পড়ছে। এই পৌষ মাসেই হচ্ছে এই পৌষ পার্বণ। এ কারণে এটা খুব ভালো লাগছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার পাশাপাশি এ ধরনের অনুষ্ঠান সবসময় চলবে। তাহলে এই বিশ্ববিদ্যালয় ও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সর্বদা প্রাণবন্ত থাকবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি সমুন্নত রাখতে এ ধরনের অনুষ্ঠান বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এটি আমাদের বাঙালি সত্তার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির যথাযথ পরিচয় করিয়ে দিতে সহায়ক হবে। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা যখন আমাদের সংস্কৃতিকে উদযাপন করি, তখন তা শুধু আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনই নয়, বরং এটি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করানোর একটি দারুণ সুযোগ। এই ধরনের আয়োজনগুলো আমাদের ঐতিহ্যকে যুগ যুগ ধরে বাঁচিয়ে রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর জনাব সাদাত জামান খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ মুহাম্মদ ইব্রাহিম।
বিভাগের শিক্ষার্থী রনি দাশ ও জয়া দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব আবদুল্লাহ আল মোজাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সাদিকা সুলতানা চৌধুরী, প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস, নুসরাত জাহান তানী, মুহাম্মদ তানজিলুর রহমান, সায়ীদা জামানসহ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
‘পৌষ পার্বণ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী দেশীয় পিঠার স্টলগুলো ছিল দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। ‘পৌষাল’, ‘পৌষের স্বাদ’, ‘পিঠা যাবে পেটুক বাড়ি’, ‘মুঃহছইং’, ‘বাঙালিয়ানা’- এই নামের স্টলগুলোতে নারকেল পুলি, ফুলপিঠা, পাটিসাপটা, সুন্দরী পিঠা, আতিক্কা পিঠা, পুলি পিঠা, দুধপুলি, রঙিন পাটিসাপটাসহ নানা দেশি পিঠা প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও স্টলগুলোতে আধুনিক খাবার যেমন বিরিয়ানি, পুডিং, হালিম, ফিরনি, চিকেন চাওমিন, চিকেন ফ্রাই, চিকেন পাটাটা রোল, পাস্তা, গাজরের হালুয়া, আচার, চটপটি, চকলেট কেক, ভ্যানিলা কেক, ফুচকা ইত্যাদিও দর্শকদের মনোরঞ্জন করে। সিস্টারস’ বাইটস’ ও সুগার সাইকেল নামেও যথাক্রমে শীতবস্ত্র ও বিভিন্ন জিনিসের দুটি স্টল ছিল।
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে সাংস্কৃতিক নৃত্য ও সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

পূর্বের নিউজ দেখুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

আজকের সর্বশেষ সংবাদ