আজ : শনিবার ║ ১০ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আজ : শনিবার ║ ১০ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ║২৬শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ║ ২১শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

২০২৬ সালে তরুণদের দৈনন্দিন ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো

দেশচিন্তা ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতে বাংলাদেশের তরুণরা আবার ফিরছে ক্যাম্পাস, কর্মস্থল ও ব্যস্ত দৈনন্দিন রুটিনে। দীর্ঘ সময়ের পড়াশোনা, কাজ, যাতায়াত ও নিরবচ্ছিন্ন অনলাইন সংযোগ—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে এখন স্মার্টফোন।
এই বাস্তবতায় বৈশ্বিক স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স বলছে, ২০২৬ সালে একটি প্রযুক্তি ব্র্যান্ডের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারিত হবে নতুনত্বের চেয়ে বেশি—প্রযুক্তি কতটা বাস্তব জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে তার ওপর। বাংলাদেশের তরুণদের জন্য এর অর্থ হলো এমন ডিভাইস, যা হাতে হালকা লাগে, দীর্ঘ সময় ব্যবহারেও আরামদায়ক থাকে এবং একটানা ব্যবহারে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স দেয়।
ভোরের যাত্রা থেকে গভীর রাতের পড়াশোনা, গেমিং, স্ট্রিমিং কিংবা কনটেন্ট তৈরি—সব ক্ষেত্রেই তরুণদের সময় ও শক্তি ব্যবস্থাপনায় বড় ভূমিকা রাখছে স্মার্টফোন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে মোবাইল গেমিং ও ই-স্পোর্টস তরুণ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
যাতায়াতের ফাঁকে হালকা গেমিং থেকে শুরু করে প্রতিযোগিতামূলক খেলা ও গভীর রাত পর্যন্ত লাইভস্ট্রিম—এই অভ্যাসগুলো ডিভাইসের আরামদায়ক ব্যবহার, নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স এবং দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপের ওপর তরুণদের প্রত্যাশা আরও বাড়িয়েছে।
এই ডিজাইন-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন দেখা যায় ২০২৫ সালে ইনফিনিক্সের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জনে। সে বছর ইনফিনিক্স হট ৬০ প্রো+ বিশ্বখ্যাত গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসুএর স্বীকৃতি পায় ‘বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা থ্রিডি-কার্ভড ডিসপ্লে স্মার্টফোন’ হিসেবে। ২০২৫ সালের আগস্টে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত এই ফোনটির পুরুত্ব ছিল মাত্র ৬.০৯২০ মিলিমিটার (ক্যামেরা বাম্প বাদে), যা আধুনিক ব্যবহারের সঙ্গে মানানসই কমপ্যাক্ট ডিজাইনের সক্ষমতা তুলে ধরে।
ইনফিনিক্সের মতে, এই অর্জনের গুরুত্ব শুধু রেকর্ড গড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর পেছনের চিন্তাভাবনাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত পাতলা নকশার মধ্যেও ফোনটিতে যুক্ত করা হয়েছে ৫,১৬০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি—যা ক্যাম্পাস, যাতায়াত কিংবা দীর্ঘ সময়ের গেমিং সেশনে চার্জিং সুবিধা থেকে দূরে থাকা তরুণদের একটি বড় চাহিদা পূরণ করে।
নতুন বছরের শুরুতে যখন তরুণরা স্টাইল, আরাম ও স্থায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজছে, তখন ইনফিনিক্স উদ্ভাবনকে দেখছে বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে, শুধু স্পেসিফিকেশনের প্রতিযোগিতা হিসেবে নয়। বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত একটি ডিজাইন অর্জনকে সঙ্গে নিয়ে নতুন বছরে যাত্রা শুরু করে, ইনফিনিক্স আবারও জানিয়ে দিচ্ছে—বাংলাদেশের দ্রুতগতির, ডিজিটালভাবে সংযুক্ত ও গেমিং সংস্কৃতিতে প্রভাবিত তরুণদের জীবনধারার সঙ্গে তাল মিলিয়েই এগোতে চায় তারা।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

আজকের সর্বশেষ সংবাদ