
নাগরনো-কারাবাখের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুদ্ধরত দেশগুলোকে ইরানের অভ্যন্তরে ক্ষেপণাস্ত্র ও কামানের গোলার আঘাত সম্পর্কে কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছে তেহরান। বৃহস্পতিবার পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানের কয়েকটি গ্রামে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা আঘাত হানার পর এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
পার্ট টুডে’র প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে বৃহস্পতিবার রাতে ওই সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন, ‘এ ধরনের বিক্ষিপ্ত গোলাবর্ষণ অব্যাহত থাকলে তেহরান নীরব থাকবে না। এ ধরনের খামখেয়ালি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং সীমান্ত এলাকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষা করাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের রেডলাইন বলে মনে করে।’তবে ইরান এরই মধ্যে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলার জবাব দিয়েছে বলে যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, তা নাকচ করে দেন এই মুখপাত্র।
এর আগে ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের ‘খোদা-অফারিন’ কাউন্টির গভর্নর আলী আমিরি-রাদ জানান, বৃহস্পতিবার আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার সেনাদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের সময় তার কাউন্টির কোলিবিগলু ও কাদখোদালু গ্রামে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্রে আঘাত হেনেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের বেশিরভাগই খোলা জায়গায় পড়লেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র কোলিবিগলু গ্রামের একটি বাড়িতে আঘাত হানে। এর ফলে বাড়ির একাংশ বিধ্বস্ত হয় এবং একজন ইরানি আহত হন। এ নিয়ে গতমাসে এই সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত খোদা-অফারিন কাউন্টির গ্রামগুলোতে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও কামানের গোলা আঘাত হানল।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়াকে চিঠি দিয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের উত্তর সীমান্তবর্তী এই দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ ইমরান সোহেল। মোবাইল : ০১৮১৫-৫৬৩৭৯৪ । কার্যালয়: ৪০ কদম মোবারক মার্কেট, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম। ইমেল: [email protected]
Copyright © 2026 Desh Chinta. All rights reserved.