ঝিপন্ত প্রোজ্জ্বল হিমালয়
বাবা হলো এমন একজন মানুষ যিনি আমাদের সকল কল্যাণকর কাজের প্রেরণার উৎস। ঠিক ভুলের শিক্ষার শিক্ষক। যেকোনো কঠিন কাজকে সফল করার উৎসাহদাতা।
আমাদের ভালো রাখার জন্য তিনি সর্বদা সচেষ্ট থাকেন। আমাদের সকল চাহিদা পূরণের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন। ব্যর্থতাকে ভুলে গিয়ে সফলতার পথে ধাবিত হওয়ার প্রেরণাদাতা। ব্যর্থতাকে পিছনে ফেলে কীভাবে আগামীতে সফল হওয়া যায় তার শিক্ষাদাতা। বাবা আমাদের সঠিক সময় সঠিক কাজ করতে শেখান। এর সাথে শাসনেও তিনি সর্বদা সচেষ্টা। বাবার শাসন হলো সফলতার প্রথম ধাপ। যে মানুষ বাবার আদরে-শাসনে, স্নেহ-মমতা, যত্ন ভালোবাসায় বেড়ে উঠে সে মানুষের মতো মানুষ হতে পারে। এবং সে খুব সহজে সফলতার সিড়িতে পদার্পন করতে পারে। বাবা হলেন আমাদের জীবনের একজন প্রধান মানুষ। জীবন গঠনে মায়ের পাশাপাশি বাবার ভূমিকা হলো মূখ্য। বাবাই হলেন ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার অগ্রদূত।

মানুষের জীবন স্থায়ী নয়। সকলকেই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যেতে হবে।
এ পৃথিবীতো সফলের বাবা আজ সকলের সাথে নেই। বাবা হলো সন্তানের মাথার ছাদ। এই ছাদ যদি একবার ভেঙে যায় তবে সন্তানরাও ছাদহীন হয়ে পড়ে। তাই সকলেরই উচিত বাবাকে আদর-ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া। বাবা হলেন ভবিষ্যৎ গঠনের ভীত বা মূল। এজন্য তাই ‘বাবাকে আগলে রাখা আমাদের সবপ্রথম দায়িত্ব।
যে সন্তানরা তাদের ভবিষ্যৎ গড়নের মূল বাবাকে যথার্থ সম্মান দিতে জানে না, তার লোক দেখানো মানুষ।
আসল মানুষ সেই যে তার বাবাকে ভালোবাসে, যথার্থ সম্মান ও মর্যাদা দেয়। সকলকেই তার কৃত কর্মের ফল ভোগ করতে হয়। কর্মফল ভোগ না করে কেউ বাঁচতে পারে না। আজ যে সকল সন্তান তার বাবা-মাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিলা করে, সে সন্তানকে তার আগামী প্রজন্ম ঠিক একই কাজ করবে। তখন অতীতের কথা স্মরণ করে অনুশোচনা করা ছাড়া আর কিছুই করা যাবে না।
বাবা হলো পৃথিবীর একমাত্র মূল্যবান সম্পদ যে সম্পদ সন্তানদের কাছে মহাবিশ্বের থেকেও অধিক শ্রেষ্ঠ।
বাবা হলেন সকল সফলতার মূল ভিত্তি। কিভাবে ব্যর্থতাকে হারিয়ে সফলতাকে আহ্বান জানাতে হয় তার শিক্ষাগুরু। ভালো-মন্দ পার্থক্যের মূল ভীত। একই সাথে কীভাবে ভালো মানুষ হতে হয়। কীভাবে মানুষের সাথে ভালো আচরণ করতে হয়। কীভাবে খারাপকে হারিয়ে ভালোর জয় করতে হয়- এইসব বিষয়ের একমাত্র শিক্ষক।
আমাদের প্রাতিষ্টানিক শিক্ষাগুরু শিক্ষক হলেও পিতা হলো জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ।
বাবা ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়েছেন। বাবা ছাড়া তিনি ছাদহীন ছিলেন। ছোট বেলা থেকে অনেক কষ্ট, সংগ্রাম ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি নিজেকে আজ সমাজের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। বাবা ছাড়াই তিনি নিজের ভীতকে নিজে শক্ত করেছেন। মানুষের মতো মানুষ হিসেবে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন। সকলের সূখ-দুঃখে, আনন্দ, বেদনায় নিজেকে সকলের পাশে থেকেছেন। তিনি কারও ক্ষতি করেন না। সকলের জন্য উদার মন। বাবা সকলের ভালো বন্ধু হিসেবে একজন সফল মানষ।
আমি আমার বাবার ব্যক্তিত্ব থেকে শিক্ষা পাই, কিভাবে সবসময় সকলের পাশে থাকতে হয়। অন্যায়কে কিভাবে রুখে দিতে হয়। কিভাবে নিজেকে একজন সৎ, আদর্শ, ভালো এবং পরোপকারী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়। বাবা সবসময় আমাদের সকল শখ-স্বপ্ন চাওয়া পূরণে ব্যস্ত।
বাবা শিখেয়েছেন কীভাবে সফলতার সিড়িতে পদার্পন করতে হবে। বাবা আমাদের শেখান ব্যর্থতাকে মনে রাখতে নেই। কারণ ব্যর্থতাকে মনে করে কষ্ট পাওয়ার কোনো মানে হয় না। তাই তিনি সর্বদা আমাদের অনুপ্রেরণা যোগান, সকল কাজে সফলদাতা। বাবা আমাদের দুই ভাইবোনকে আদরে-যত্নে, স্নেহ-মমতায়, ভালোবাসায়, চাহিদা-শখ-স্বপ্ন পূরণে কোনো কমতি রাখেন নি।
আমি আমার বাবাকে খুব ভালোবাসি। বাবা মা আমার পৃথিবী।
অষ্টম শ্রেণি
রোল নং – ১
কে,বি,আমান আলী রোড,আল্ ব্রুজ স্কুল, চকবাজার, চট্টগ্রাম।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ ইমরান সোহেল। মোবাইল : ০১৮১৫-৫৬৩৭৯৪ । কার্যালয়: ৪০ কদম মোবারক মার্কেট, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম। ইমেল: [email protected]
Copyright © 2026 Desh Chinta. All rights reserved.