দেশচিন্তা ডেস্ক: শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাংলাদেশের যেসব সদস্য আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদান দেশের ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে বুধবার (১০ জুন) সকালে রাজধানীর সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, চার দশক ধরে সশস্ত্র বাহিনী আস্থা ও নির্ভরতার নাম। শান্তিরক্ষায় নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আগামীতেও এই অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
দেশ গড়তে সবাইকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘দেশ আমাদের সবার। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে নিজের গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এজন্য সবাইকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতের মিশনগুলো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলেও অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, স্বাধীন, আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে মানবতার পক্ষে এবং আগ্রাসন ও সংঘাতের বিপক্ষে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বক্তব্য দেন।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা এবং মানবিক মূল্যবোধের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বর্তমানে জাতিসংঘ মিশনে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা ও দক্ষতা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে, যা নারী ক্ষমতায়ন ও দেশের উন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ ইমরান সোহেল। মোবাইল : ০১৮১৫-৫৬৩৭৯৪ । কার্যালয়: ৪০ কদম মোবারক মার্কেট, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম। ইমেল: [email protected]
Copyright © 2026 Desh Chinta. All rights reserved.