দেশচিন্তা ডেস্ক: মিউনিখ যেন প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের জন্য বিশেষ এক অভিশপ্ত-আশীর্বাদের জায়গা হয়ে উঠেছে। মাত্র এক বছর আগে এই শহরেই ইন্টার মিলানকে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছিল লুইস এনরিকের দল। এবার একই মাঠে বায়ার্ন মিউনিখকে থামিয়ে টাইটেল ধরে রাখার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল পিএসজি।
অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বায়ার্নের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে পিএসজি। প্রথম লেগের বড় ব্যবধান ধরে রেখে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ ব্যবধানে ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ মিকেল আর্তেতার আর্সেনাল।
ম্যাচ শুরুর মাত্র তিন মিনিটের মাথায় পিএসজি এগিয়ে যায়। কাভারাতস্কেলিয়ার দারুণ এক কাটব্যাক থেকে সহজ গোল করেন ওসমান দেম্বেলে। এতে দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধান হয় ৬-৪। গোলের পর থেকেই বায়ার্নকে খোলা খেলতে বাধ্য করা হয়।
জার্মানরা চাপ বাড়ালেও পিএসজির রক্ষণ ছিল দুর্দান্ত। বিশেষ করে কাভারাতস্কেলিয়া বাম দিক দিয়ে বারবার বায়ার্নের ডিফেন্সকে ভয় দেখিয়েছেন। নুনো মেন্দেসও দারুণ খেলেছেন, যদিও একটি হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছে তাঁকে।
বায়ার্নের হয়ে মাইকেল ওলিসে ও জামাল মুসিয়ালা চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। কয়েকবার পেনাল্টির দাবি উঠলেও রেফারি সাড়া দেননি। প্রথমার্ধে বায়ার্নের কয়েকটি ভালো আক্রমণ সাফোল ভাবে ঠেকিয়ে দেন।
বিরতির পর বায়ার্ন আরও আক্রমণাত্মক হয়। কিন্তু পিএসজি তখন চ্যাম্পিয়নের মেজাজে। বল ধরে রাখা, সময় নষ্ট না করা আর কাউন্টারে ঝটিকা আক্রমণ; সবকিছুতেই ছিল পরিণতি। দেজিরে দুয়ে ও কাভারাতস্কেলিয়া নয়্যারকে কয়েকবার পরীক্ষা নেন।
শেষ মুহূর্তে আলফনসো ডেভিসের অ্যাসিস্ট থেকে হ্যারি কেইন গোল করে বায়ার্নকে সমতায় ফেরান। কিন্তু ততক্ষণে সময় ফুরিয়ে এসেছিল। অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় শেষ বাঁশি বাজতেই পিএসজি শিবিরে উৎসব শুরু হয়।
এই জয়ের ফলে পিএসজির সামনে এখন বড় সুযোগ। রিয়াল মাদ্রিদের জিদান যুগের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার বিরল কীর্তি গড়ার। অন্যদিকে আর্সেনাল প্রথমবারের মতো ইউরোপের সেরা শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ ইমরান সোহেল। মোবাইল : ০১৮১৫-৫৬৩৭৯৪ । কার্যালয়: ৪০ কদম মোবারক মার্কেট, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম। ইমেল: [email protected]
Copyright © 2026 Desh Chinta. All rights reserved.