দেশচিন্তা ডেস্ক: ইরাকে আশ্রয় নেয়া আইএসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তুর্কি নাগরিকদের সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে আঙ্কারা। অন্য দেশের সঙ্গেও নাগরিক প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হুসেইন। তাদের ফিরিয়ে নিয়ে নিজ দেশে বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান তিনি।
সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে হাজারো আইএস সন্দেহভাজনকে ইরাকে স্থানান্তর করা হয় মার্কিন বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে। কুর্দি বাহিনী শিবির ও কারাগারগুলো বন্ধ করে দিলে এই বন্দিদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। প্রায় এক দশক ধরে এসব ক্যাম্পে আটকে ছিল আইএস সংশ্লিষ্ট যোদ্ধা, নারী ও শিশুরা। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে বাগদাদ বন্দিদের গ্রহণ করে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হুসেইন জানান, তুরস্ক তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। ওয়াশিংটনের বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠকে তিনি জানান, অন্যান্য দেশের সঙ্গেও নাগরিক প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা চলছে। নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে বিচার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ইরাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত স্বঘোষিত খেলাফত প্রতিষ্ঠা করে বিশাল ভূখণ্ড দখলে নেয় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। সিরিয়া ও ইরাকজুড়ে লাখো মানুষের ওপর শাসন চালায় তারা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যোদ্ধা সংগ্রহ করতে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোট ও আঞ্চলিক সামরিক অভিযানের মুখে সেই শাসনের পতন ঘটলেও হাজারো বিদেশি যোদ্ধা থেকে যায়।
বাগদাদ জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ আইনে নিজস্ব বিচারব্যবস্থায় অভিযুক্তদের বিচার করা হবে। তবে বিদেশি নাগরিকদের নিজ দেশে বিচার করাই দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান বলে মনে করছে ইরাক। কেননা বন্দিদের দীর্ঘমেয়াদি আটক, বিচার ও পুনর্বাসন সবই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তবে প্রশ্ন হলো কত দ্রুত অন্য দেশগুলোও তুরস্কের পথ অনুসরণ করবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ ইমরান সোহেল। মোবাইল : ০১৮১৫-৫৬৩৭৯৪ । কার্যালয়: ৪০ কদম মোবারক মার্কেট, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম। ইমেল: [email protected]
Copyright © 2026 Desh Chinta. All rights reserved.