দেশচিন্তা ডেস্ক: মাসুদ সাঈদী ও শামীম সাঈদী-দুইজনই প্রয়াত জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মাসুদ সাঈদী ছিলেন পিরোজপুর-১ আসনের প্রার্থী। আর শামীম সাঈদী ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনে। মাসুদ সাঈদী জয়ী হলেও পরাজিত হয়েছেন শামীম সাঈদী।
স্থানীয়ভাবে এই দুইজনের প্রার্থিতা ঘিরে ব্যাপক আলোচনা ছিল। পিরোজপুরে জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় প্রভাব না থাকলেও দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ইমেজের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। এটাকেই কাজে লাগিয়ে দুই ছেলে তাঁদের নির্বাচনী যাত্রা শুরু করে ।
পিরোজপুর-১ আসনে ১৬৭টি ভোটকেন্দ্রে (পোস্টাল ব্যালটসহ) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ সাঈদী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন এক লাখ ৩২ হাজার ৬৫৯ ভোট ।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলমগীর হোসেন (ধানের শীষ) পেয়েছেন এক লাখ সাত হাজার ১০৫ ভোট। অর্থাৎ ২৫ হাজার ৫৫৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন মাসুদ সাঈদী।
অন্যদিকে পিরোজপুর-২ আসনে ১৬৬টি ভোটকেন্দ্রে (পোস্টাল ব্যালটসহ) বিএনপির প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৯৭ ভোট।
৮ হাজার ২৮৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর।
পিরোজপুর ২ আসনে শামীম সাঈদীর পরাজয়ের বিষয়ে স্থানীয়রা জানায়, পাশাপাশি দুটি আসনে একি পরিবারের দুইজন প্রার্থী থাকায় ভোটরা একপেশে মনে করে ভিন্নমত পোষণ করেছেন ব্যালটের মাধ্যমে। তাছাড়া শামীম সাঈদী পিরোজপুর ১ আসনের আগের একটি সংসদ নির্বাচনে জোট প্রার্থী ছিলেন । হঠাৎ করে তিনি পিরোজপুর-২ আসনে প্রার্থী হওয়ায় জনগণ বিভ্রান্ত হয়েছে । তাছাড়া প্রথমদিকে সেখানে কোনো বসতি রনা থাকায় স্থানীয় ভোটররা সেটাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়নি।
এদিকে, জয়ী হওয়ার পর পিরোজপুর ১ আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী ও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেন, যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, আমি তাদেরও এমপি । আর যারা আমাকে ভোট দেননি তাদেরও এমপি। আমি আমার বাবার রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করবো। পাশাপাশি পিরোজপুর ১ আসনের সার্বিক উন্নয়নে সাধ্যমত কাজ করে যাব।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ ইমরান সোহেল। মোবাইল : ০১৮১৫-৫৬৩৭৯৪ । কার্যালয়: ৪০ কদম মোবারক মার্কেট, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম। ইমেল: [email protected]
Copyright © 2026 Desh Chinta. All rights reserved.