দেশচিন্তা ডেস্ক: তিন দিনের মাথায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধি।
শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সমাধি জিয়ারত করেছেন তার নাতনি জাইমা রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা। এরপর সর্ব সাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
জাইমা রহমান মাজার ছাড়ার পর তীব্র শীত উপেক্ষা করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ছোট ছোট মিছিল গঠন করে আসছেন, হাতে বহন করছেন বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানার।
মিরপুর থেকে আসা কাজী আজিম রানা বলেন, আমার নেত্রীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। মিরপুর-১৪ থেকে জিএম মুজিবুর রহমানও পরিবারসহ কবর জিয়ারতে উপস্থিত হন।
জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তরের সড়কে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বাস ও মাইক্রোবাসে করে নেতাকর্মীদের সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা নিরাপত্তার তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থেকে আসা শাফিউর রহমান সাফি জানান, নেত্রীর বিদায় জানাতে আমি আগের দিন আসতে পারিনি। আজ ভোরে ঢাকায় পৌঁছে কবর জিয়ারত করেছি। আল্লাহ তাকে বেহেশত দান করুন।
দেশজুড়ে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তৃতীয় ও শেষ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জুমার নামাজের পর সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বেগম খালেদার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হবে।
উল্লেখ্য, ৩১ ডিসেম্বর (বুধবার) বেগম খালেদা জিয়াকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফনের সময় তারেক রহমান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ দেয়া হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ ইমরান সোহেল। মোবাইল : ০১৮১৫-৫৬৩৭৯৪ । কার্যালয়: ৪০ কদম মোবারক মার্কেট, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম। ইমেল: [email protected]
Copyright © 2026 Desh Chinta. All rights reserved.