দেশচিন্তা ডেস্ক: পাওয়র প্লেতে রীতিমতো ঝড় তুলেছিলেন দুই আইরিশ ওপেনার। এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রান তুলে তারা। তবে এরপরই দ্রুত উইকেট তুলে রানের চাকায় লাগাম দেয় বাংলাদেশ। তবে পঞ্চম উইকেট জুটিতে জজ ডকরেলকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন লরকান টাকার। তার ৪১ রানের ইনিংসে শেষ পর্যন্ত চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়ে আইরিশরা।
চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করেছে আয়ারল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছেন টাকার।
পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টরের ব্যাটে দুর্দান্ত শুরু পায় আয়ারল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ইনিংস ওপেন করা শেখ মেহেদি প্রথম ওভারেই ৩ বাউন্ডারি হজম করেছেন। পরের ওভার করতে এসে আরেক স্পিনার নাসুম আহমেদও বেশ খরুচে ছিলেন। ২ বাউন্ডারিতে ১৪ রান খরচ করেন তিনি।
আয়ারল্যান্ডের ইনিংসের তৃতীয় ওভারের খেলা চলাকালে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট। প্রথমে দুটি ফ্লাডলাইট বন্ধ হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই চারটি ফ্লাডলাইটই বন্ধ হয়ে যায়। ফলে খেলা বন্ধ থাকে মিনিট দশেক।
এরপর আবারো খেলা শুরু হলেও ছন্দ ধরে রাখে আইরিশরা। দারুণ শুরু করা স্টার্লিংকে পঞ্চম ওভারে থামান তানজিম সাকিব। সাইফের হাতে ধরা পড়ার আগে ১৪ বলে ২৯ রান করেছেন এই ওপেনার।
পল স্টার্লিং ফিরলেও পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশি বোলারদের ওপর রীতিমতো টর্নেডো বইয়ে দেয় সফরকারীরা। ৬ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান তুলে তারা। টি–টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে আয়ারল্যান্ডের এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর, বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ।
বিপজ্জনক হয়ে ওঠা টিমকে ফেরান শেখ মেহেদি। ২৫ বলে ৩৮ রান করে এই ওপেনার ফিরলে সেটার প্রভাব পড়ে তাদের রানরেটে। এরপর হ্যারি টেক্টর ও বেন কার্টিজ দ্রুত ফিরলে আইরিশদের চেপে ধরে বাংলাদেশ।
শেষদিকে টাকার কিছুটা লড়াই করেছেন। তাতে ১৭০ রানের সংগ্রহ পায় সফরকারীরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ ইমরান সোহেল। মোবাইল : ০১৮১৫-৫৬৩৭৯৪ । কার্যালয়: ৪০ কদম মোবারক মার্কেট, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম। ইমেল: [email protected]
Copyright © 2025 Desh Chinta. All rights reserved.