
দেশচিন্তা ডেস্ক: ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে শুরু করেছেন অঁতোয়ান সেমেনিও। বোর্নমাউথ থেকে ৬ কোটি ২৫ লাখ পাউন্ডে দলে টানা এই ফরোয়ার্ড ইতিমধ্যেই দেখাচ্ছেন, কেন তাকে এত বড় অঙ্ক খরচ করে দলে ভিড়িয়েছে সিটি।
এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে গত শনিবার লিগ ওয়ান ক্লাব এক্সেটার সিটির বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে স্মরণীয় সূচনা করেন ২৬ বছর বয়সী সেমেনিও। যদিও ম্যাচটি সিটি জিতেছে একপেশে ব্যবধানে (১০-১), তবু নতুন দলে তার প্রভাব স্পষ্ট ছিল।
কারাবাও কাপের দুই লেগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে নিউক্যাসলের বিপক্ষে সেন্ট জেমস পার্কের উত্তপ্ত পরিবেশে আবারও নিজের নাম লেখান স্কোরশিটে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে সিটিকে এগিয়ে দেন তিনি। পরে আরো একবার বল জালে পাঠালেও দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর সেই গোল বাতিল হয়।
শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে জয় পায় বর্তমান শিরোপাধারীরা।
দলের হয়ে অপর গোলটি করেন রায়ান শেরকি। এতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অনেকটা চাপমুক্ত থেকে মাঠে নামতে পারবে গার্দিওলার দল।
সেমেনিওর আগমনে সিটির আক্রমণে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। নিজেকে তিনি চিনিয়েছেন ‘শক্তিশালী, দ্রুতগামী ও বলিষ্ঠ’ ফুটবলার হিসেবে, সঙ্গে যোগ করেছেন ‘ক্লিনিক্যাল’ ফিনিশার খ্যাতি—যা চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ ও অন্যান্য প্রতিযোগিতার শিরোপা দৌড়ে সিটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
ম্যাচ শেষে সেমেনিও বলেন, ‘আমি ঠিক জায়গায় ছিলাম, বলটা ঠেলে জালে পাঠাতে পেরেছি। আমরা জিতেছি, এটাই সবচেয়ে আনন্দের। এখানকার পরিবেশ অসাধারণ। সবাই আত্মবিশ্বাসী এবং সেরাটা দিতে চায়। ওরা আমাকে আপন করে নিয়েছে, আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘সবকিছু দ্রুত ঘটছে, কিন্তু আমি উপভোগ করছি। খুব দ্রুতই মানিয়ে নিচ্ছি। মুখে হাসি নিয়ে খেলছি, প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করছি।’
আগামী শনিবার ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক হতে পারে সেমেনিওর।


















