
দেশচিন্তা ডেস্ক: পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর ও জীবনমান উন্নয়নে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে উপদেষ্টার সঙ্গে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুননের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে আইএলও প্রতিনিধি দল জানান, কানাডা সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত প্রোগ্রেস প্রকল্পের মাধ্যমে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ নজর দিতে আগ্রহী। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো নারী উন্নয়ন, কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয়দের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে আইএলও কাজ করতে চায়।
আইএলও প্রতিনিধিদের স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও শ্রম আইন মেনে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
তিনি বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার জন্য আইএলও প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম এবং যুগ্মসচিব অতুল সরকার উপস্থিত ছিলেন।
আইএলও-এর প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রোগ্রেস প্রকল্পের চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার পেড্রো জুনিয়র বেলেন, আইএলও কান্ট্রি অফিসের হেড অব প্রোগ্রাম গুঞ্জন দালাকোটি এবং ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার অ্যালেক্সিয়াস চিছাম।










